হাসপাতালের সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট অকেজো, দেখভাল করেন বাবুর্চি

প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে আড়াইশো শয্যার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্টটি গত সাত বছর ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। এতে নষ্ট হতে চলেছে আড়াই কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্রাংশ। দ্রুত অক্সিজেন প্ল্যান্টটি সচলের আশ্বাস দিয়েছেন সিভিল সার্জন।

২০১২-১৩ অর্থ বছরে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়। একই সাথে রোগীদের জন্যে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অক্সিজেন গ্যাস ও ভ্যাকুয়াম সরবরাহের জন্যে পাইপলাইনও স্থাপন করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্ল্যানটি স্থাপনের পর পরীক্ষামূলকভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করার কথা থাকলেও সেটি শেষ পর্যন্ত চালু হয়নি।

এভাবেই পার হয়েছে সাত বছর। বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ কার্ডিওলজি ওয়ার্ড, মেডিসিন ওয়ার্ড, পেয়িং ওয়ার্ড, শিশু ওয়ার্ড, গাইনি ওয়ার্ডের চিকিৎসাধীন রোগীরা অক্সিজেনের অভাবে কষ্ট করছেন।

কার্ডিওলজি বিভাগের দায়িত্বরত নার্স মিতু আক্তার বলেন, বর্তমান অক্সিজেনের লাইনগুলো অকেজো আছে। এগুলো ঠিক হলে রোগীদের সেবা ভালোভাবে দিতে পারব।

 

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করে অক্সিজেন লাইনটি সচলের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

অক্সিজেন প্ল্যানটি দেখভালের অতিরিক্ত দায়িত্বে আছেন হাসপাতালের একজন বাবুর্চি।

অক্সিজেন প্ল্যান্ট দেখাশোনার দায়িত্বে বাবুর্চি মো. আলমগীর মিয়া।

অক্সিজেন প্ল্যানটি দ্রুত সচলের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জ ডা. একরাম উল্লাহ।

আড়াইশো শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৪শ’ রোগী ভর্তি থাকেন।