হারিরি হত্যকাণ্ডে হিজবুল্লাহ বা সিরিয়া জড়িত ছিল না: হেগের আদালত

১৫ বছর আগে লেবাননের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি’র হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দেশটির ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ বা প্রতিবেশী দেশ সিরিয়ার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায়নি হেগের আন্তর্জাতিক আদালত।

গতকাল (মঙ্গলবার) ২,৬০০ পৃষ্ঠার রায়ের সারসংক্ষেপ পড়ে শোনানোর সময় নেদারল্যান্ডের দ্যা হেগ এ জাতিসংঘ সমর্থিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল ফর লেবানন (এসটিএল) এর বিচারক ডেভিড রে একথা জানান।

তিনি বলেন, রফিক হারিরিকে একটি সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় যার উদ্দেশ্য ছিল একজন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দৃশ্যপট থেকে বিদায় করা। ওই বিচারক বলেন, আদালত এমন কোনো দলিল পায়নি যা দিয়ে প্রমাণ করা যায় হিজবুল্লাহ বা সিরিয়া ‘হারিরি’ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল।

হেগের আদালত আরো বলেছে, নিহত প্রধানমন্ত্রী হারিরির সঙ্গে হিজবুল্লাহ প্রধান সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর ভালো সম্পর্ক ছিল।

২০০৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানী বৈরুতে এক শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে রফিক হারিরিসহ ২২ জন নিহত এবং ২২০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন।

মঙ্গলবার রায় পড়ে শোনানো কালে বিচারক ডেভিড রে বলেন, “সিরিয়া ও হিজবুল্লাহর হয়তো হারিরি ও তার রাজনৈতিক মিত্রদের নির্মূল করার উদ্দেশ্য ছিল, ট্রায়াল চেম্বারের এমন মত থাকলেও হিজবুল্লাহর নেতৃবৃন্দ হারিরি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, সিরিয়ার জড়িত থাকারও সরাসরি কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”