সুখবর দিল ল্যানসেট, অ্যান্টিবডি তৈরিতে সক্ষম রাশিয়ার ভ্যাকসিন

রাশিয়ার তৈরি কোভিড নাইন্টিনের ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক-ফাইভ’ এর ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবী সবার শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। মেডিক্যাল সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়। অক্টোবর অথবা নভেম্বরে ফল হাতে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার ভ্যাকসিন নিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক প্রকাশনা এটি। শুক্রবার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্যাকসিনটি নিয়ে ৪২ দিন করে দুটি ট্রায়াল চালানো হয়েছে। প্রতিবার অংশ নিয়েছেন ৩৮ জন স্বেচ্ছাসেবী। এতে তাদের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি। সবার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ প্রকাশনার মধ্য দিয়ে পশ্চিমাদের নানা সন্দেহের উত্তর দেয়া হয়েছে বলে মনে করছে রাশিয়া। গত ১১ আগস্ট বিশ্বের প্রথম ভ্যাকসিন হিসেবে ‘স্পুটনিক ফাইভ’ অনুমোদন দেয় রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মেয়ের শরীরেও প্রয়োগ করা হয়েছে এ ভ্যাকসিন।

রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিনকে ‘নিরাপদ এবং কার্যকরী’ বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’।

 

রাশিয়ার ‘স্পুটনিক ভি’ ভ্যাকসিন তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শেষ না করেই প্রথম দুই ধাপের ট্রায়ালের ফলাফলকে শতভাগ নিরাপদ দাবি করে।

রাশিয়ার সেই দাবি, ওই সময় অনেক দেশ আমলে নেয়নি। কারণ পুতিনের দেশ কোনো ডেটা তখন প্রকাশ করেনি। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেও দেয়নি। এই প্রথম বিশ্বমানের কোনো জার্নালে তারা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করলো।

ল্যানসেটে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ফলাফলের উদ্ধৃতি দিয়ে নিরপেক্ষ গবেষকেরা বলছেন, ‘এটি উৎসাহজনক কিন্তু ছোট।’

একটি টিকার বৈশ্বিক অনুমোদনের জন্য তিন ধাপের ফলাফলকে বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে তৃতীয় ধাপ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই ধাপের ট্রায়ালে হাজার-হাজার মানুষকে যুক্ত করা হয়। সেই তুলনায় প্রথম দুই ধাপে থাকে হাতেগোনা কয়েক জন।