সরকার জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির সুযোগ হাত ছাড়া করেছে: ডা. জাফরুল্লাহ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, করোনা সংকট মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির সুযোগ সরকার হাত ছাড়া করেছে, যা খুবই দুঃখজনক।

তিনি হতাশ না হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান জানান। কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের পর সুস্থ হয়ে ওঠা নাগরিকদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্লাজমা দানে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচিতে সোমবার তিনি এ কথা বলেন। এবি পার্টি আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জুম লাইভে নিজ হাসপাতাল থেকে তিনি সরাসরি অংশ নেন।

এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. মেজর (অব.) আবদুল ওহাব মিনারের সভাপতিত্বে ও সেন্ট্রাল ওয়েলফেয়ার ডিভিশনের সংগঠক যুবনেতা বিএম নাজমুল হকের সঞ্চালনায় পার্টির কেন্দ্রীয় দফতরে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

এছাড়া বক্তব্য দেন বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাবেক প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক, গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. শওকত আরমান, অ্যাডভোকেট নীলা ইসলাম, ডা. মেজর (অব.) লুৎফর রহমান, এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মন্জু, যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার জুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার নাসরিন আক্তার মিলি, সমাজসেবী ডা. হাজেরা বেগম, এবিএম খালিদ হাসান, এএফ ওবাইদুল্লাহ মামুন, এম আমজাদ খান, ওয়াহিদা আক্তার মিতু, জিয়া চৌধুরী, ওলিউর রহমান প্রমুখ। সভায় বক্তারা তাদের অসুস্থতাকালীন অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, করোনায় আক্রান্তদের একটা ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। সবার সমন্বয়ে প্লাজমা ব্যাংকের পাশাপাশি একটি ব্লাড ব্যাংক করার প্রস্তাব রেখে তিনি বলেন, এবি পার্টির তারুণ্যনির্ভর উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। অধ্যাপক ডা. শাহ আরমান বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্লাজমা থেরাপির ব্যাপারে কোনো নেতিবাচক মনোভাব পোষণ না করলেও বাংলাদেশ সরকারের আগ্রহ ও উদ্যোগের অভাবে প্লাজমা চিকিৎসা ব্যাপকতা পায়নি। অধ্যাপক ডা. মেজর (অব.) আবদুল ওহাব মিনার বলেন, করোনা আক্রান্তদের মানসিক সাহস জোগানো ও সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি দরকার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, সহকারী সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সাঈদ নোমান, শাহ আবদুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আবদুল্লা আল আহসান সাকীব, মোফারসেরুল ইসলাম লেনিন প্রমুখ।