সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা, প্রতারক অনিক গ্রেফতার !

করোনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, এনএসআই, পিডাব্লিউডি, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, যমুনা ব্যাংক সহ বিভিন্ন সরকারি/বেসরকারি দপ্তরে চাকরি দেয়ার নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক অনিক মিয়া।

দীর্ঘদিন যাবৎ এই প্রতারণার কাজ করে আসছে এই চক্রটি। প্রতারক চক্রের মূল হোতা অনিক মিয়া, পিতা-জানু মিয়া, বর্তমান ঠিকানাঃ ইসলাম ভিলা, বাসা নং-৪৯,৫০, রোড নং-০১-এ, ব্লক-ডি, মিরপুর-১২, ঢাকা, স্থায়ী ঠিকানাঃসাং-কুর্শি, পো: বাদলা, থানা: ইটনা, জেলা: কিশোরগঞ্জ।

জানা গেছে, প্রতারক অনিক মিয়া বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা হতে দালালদের মাধ্যমে চাকুরি দেয়ার নামে টাকা সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করে আসছিল। প্রতারণার সাথে তার স্ত্রীও সরাসরি জড়িত রয়েছে। এই প্রতারণার সাথে আরও অনেকেই জড়িত আছে।

অনেকের অভিযোগের ভিত্তিতে এনএসআই এর গোপন অনুসন্ধানে বিষয়টি নজরে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এনএসআই এবং র‌্যাব-৪ এর যৌথ অভিযান মিরপুর-১২ এলাকাস্থ তার ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে।

উক্ত অভিযানে প্রতারক চক্রের মূল হোতা অনিক মিয়াকে আটক করা হয় এবং তার বাসা হতে আড়াই লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ব্যক্তিদের (র‌্যাব, পুলিশ, প্রশাসন ক্যাডারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ) সাথে এবং বঙ্গভবন, সংসদ ভবনের সামনে ছবি তুলে তা সাধারণ মানুষদের দেখিয়ে বিশ্বাস স্থাপন করে প্রতারণা করতো বলে জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে।

প্রতারক চক্রের মূল হোতা অনিক মিয়াকে আটকের ফলে প্রতারণার শিকার চাকুরি প্রার্থীরা র‌্যাব-৪ কার্যালয়ে এসে ভীড় করে। এসময় তারা স্বস্তি প্রকাশ করে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছে।

তাকে আটকের ফলে চাকুরি প্রার্থী সাধারণ অনেক শিক্ষার্থী তার প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবে।আটক অনিক মিয়ার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।