সংকটে তিউনিশিয়ার রাজনীতি: প্রধানমন্ত্রী বরখাস্ত, কারফিউ জারি

তিউনিশিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ দেশে সহিংসতা ও অস্থিরতা ঠেকাতে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছেন। দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে তার আকস্মিক কিছু সিদ্ধান্তের কারণে এই সহিংসতা ও অস্থিরতা সৃষ্টির আশংকা দেখা দিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিচেম মেচিচিকে বরখাস্ত ও জাতীয় সংসদ স্থগিত করেছেন। তিনি সরাসরি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী পদে নিজের পছন্দের লোক বসিয়ে দেশ শাসন করবেন।

গতকাল এক বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট সাঈদ বলেন, “সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত আগামী এক মাস কারফিউ চলবে এবং জনগণকে তা মেনে চলতে হবে। তবে জরুরি চিকিৎসা বিভাগের কর্মীরা ও রাত্রিকালীন কর্মীরা কারফিউয়ের আওতায় পড়বেন না।”

কারফিউয়ের কারণে একসঙ্গে তিন ব্যক্তি রাস্তা কিংবা কোনো চত্বরে জড়ো হতে পারবেন না। শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার ও রাজপথে আন্দোলনে না নামার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তিউনিশিয়া কঠিন ও ঐতিহাসিক মূহুর্ত পার করছে।

প্রেসিডেন্ট সাঈদ বলেন, তিনি জাতীয় সংসদকে সময় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মেচিচিকে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু সংসদ সদস্যরা বার বার তার এ পদক্ষেপে বাধা সৃষ্টি করেছেন। ফলে সংসদের ওপর তিনি ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছেন।

প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত তিউনিশিয়ার জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকে তার সিদ্ধান্তে খুশি হয়ে আনন্দ মিছিল করেছেন আবার অনেকে বিক্ষোভ-প্রতিবাদে নেমেছেন।

সূত্রঃ পার্সটুডে