শেখ হাসিনা না থাকলে আমার সন্তান বাংলাদেশে নিরাপদ নয়: ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল

পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ড শুধু কয়েকজন বিপদগামী সেনাসদস্যদের দ্বারা সংগঠিত হয়নি। এর পিছনে ছিল দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র ছিল। এই হত্যাকাণ্ডের কুশীলব হিসাবে যারা কাজ করেছে তাদের অনেকের মরোণত্তোর বিচার করতে হবে বলে দাবি করেন আলোচকরা।

মঙ্গলবার নিয়মিত আয়োজন সংলাপে এসব কথা বলেন আলোচকরা। রোববার আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের লিভার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল আলম খান তপু। ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানের সঞ্চলনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন।

ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল বলেন, হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র ছিল। এই ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয় রয়েছে। এরপর বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা করেছে জিয়াউর রহমান।

৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ২ কোটি লোক ভোট দেয়নি। এখন তারা সংখ্যায় বেড়েছে। তাদের নিয়েই আমাদের চলতে হচ্ছে। তবে এই ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দিতে হবে। এই করোনাকালে যারা রিপোর্ট নিয়ে নয়ছয়, মাস্ক এবং পিপিই দুর্নীতি করেছে, তাদের বাপ দাদারা ছিল শান্তি কমিটির সদস্য।

একাত্তরের পরাজিত শক্তির দোসর এমনকি হাওয়া ভবনের ঘনিষ্ঠরা আমাদের দলে অনুপ্রবেশ করে সরকারের সফলতাকে ম্লান করার অপচেষ্টা করছে। বাংলাদেশ করোনায় অনেক সফল দেশ। এখানে মৃত্যুর হার ১.২০ শতাংশ। আমাদের সফলতাগুলোকে ম্লান করে দিয়ে তারা সমাজে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করেছে।

এমনকি বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের পরিমাণ কমে আসলেও একটি গোষ্ঠী এদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। আগে আমরা বুঝতে পারতাম পাকিস্তান আমাদের শত্রু। কিন্তু অনেক পাশ্চাত্য দেশে বড় হয়ে জঙ্গিবাদে দীক্ষিত হয়ে তামিমের মতো জঙ্গিরা এদেশে এসেছিল।

এসব বিষয়ে আমাদের আরো সচেতন হতে হবে। আমাদের শেষ আস্থার স্থল প্রধানমন্ত্রী। তাকে দেখলেই আমার কবিগুরুর কথা মনে পড়ে, ‘উত্তম নিশ্চিতে চলেন অধমের সঙ্গে।’ তিনি জানেন কে অধম। আমি তার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। তিনি না থাকলে আমার সন্তান নিশ্চিত থাকবে কিনা সেটা নিয়েও আমার সংশয় রয়েছে।