শেখ কামাল ছিলেন অসামান্য সাংগঠনিক দক্ষতার অধিকারী: মেয়র তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শহীদ শেখ কামাল অনেক গুণে গুণান্বিত ছিলেন।

তিনি যেমন ছিলেন মেধাবী, তেমনি ছিলেন বড় মাপের সাংস্কৃতিককর্মী। ক্রীড়াঙ্গনেও তার বিশাল অবদান ছিল। অসামান্য সাংগঠনিক দক্ষতার অধিকারী শেখ কামাল মুক্তিযুদ্ধেও সরাসরি অংশ নিয়েছেন।

বুধবার সকালে শহীদ শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকীতে বনানী কবরস্থানে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, শেখ কামাল আসলে এক অনন্য মানুষ ছিলেন। অনেক গুণে গুণান্বিত এই মানুষটির বিচরণ যেমন ছিল ক্রীড়াঙ্গনে, সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে। বলা যায়, কোথায় ছিলেন না তিনি?

তিনি বলেন, জাতির পিতার সন্তান হওয়া সত্ত্বেও একেবারেই সাধারণ জীবনযাপন করতেন। সবার সঙ্গে তিনি যেভাবে মিশতেন এবং সুসংগঠিত করতেন, এত বছর পরও কিন্তু তিনি আমাদের মাঝে চিরঞ্জীব-চিরভাস্বর হয়ে আছেন। তার সঙ্গে যারা এক মিনিটের জন্য একান্তে এসেছেন, তারা এখনও তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তার সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলোর স্মৃতিচারণ করেন।

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ১৫ আগস্ট আমরা তাকে হারিয়েছি। তিনি যদি বেঁচে থাকতেন, তা হলে জাতির পিতা যে স্বপ্ন দেখতেন, তা আরও আগেই তিনি বাস্তবায়ন করতেন। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ তার জীবন থেকে অনেক শিক্ষাগ্রহণ করতে পারেন। আমার মনে হয়, আমাদের তরুণ সমাজের কাছে তার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে অনেক বার্তা পৌঁছে দেয়ার কাজ বাকি রয়েছে। তার জীবন থেকে অনেক কিছু গ্রহণ করে এই দেশকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, নতুন প্রজন্মের সেদিকে মনোনিবেশ করে নিজেদের গড়ে তোলা উচিত।

মেয়র বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ কামালের আজ ৭১তম জন্মবার্ষিকী। আজ এখানে এসেছি তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করতে। আমি তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

এর আগে ডিএসসিসি মেয়র শহীদ শেখ কামালের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।