লাথিতে মারা গেল অন্তঃসত্ত্বার পেটের সন্তান

বগুড়ার শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর পেটে লাথি মেরে বাচ্চা মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও ৪ জন আহত হয়েছেন। বুধবার সকালে পারভবানীপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের পারভবানীপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে আলাল হোসেন মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেশী মৃত মোবার আলীর ছেলে জাবেদ আলীর বাড়ির সামনে কাশেম মাস্টারের ছেলে চান্দু মিয়ার জায়গায় গরুর আবর্জনা ফেলে। এ নিয়ে জাবেদের স্ত্রী রেহেনার সঙ্গে আলালের কথাকাটাকাটি হয়।

এরই একপর্যায় আলালরা উত্তেজিত রেহেনাকে মারপিট করতে থাকে। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন বাড়ির ভিতর থেকে এগিয়ে আসলে জাবেদ ও তার ছেলে জনিকেও মারপিট করে। এ সময় জনির স্ত্রী ৫ মাসের গর্ভবতী সুলতানা এগিয়ে আসলে তার পেটে লাথি মারলে সে গুরুতর আহত হয়।

পরে লোকজন আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে সুলতানার অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সেখানে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ার কারণে তার পেটের বাচ্চা মারা যায় বলে পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন। মারপিটের ঘটনায় শেরপুর থানায় উভয় পক্ষই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে শেরপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, মারামারির ঘটনায় উভয়পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। পেটের বাচ্চা মারা গেছে কিনা তা এখনো জানি না।