রিজেন্ট কেলেঙ্কারি প্রতারক শাহেদের বিরুদ্ধে ১৫০টি অভিযোগ

রিজেন্ট কেলেঙ্কারিতে শাহেদের নাম বহু সমালোচিত হয়ে সামনে আসলেও এক বছর আগে থেকেই চলছে শাহেদের বিরুদ্ধে দুদকের অর্থ আত্মসাৎ ও ঋণ কেলেঙ্কারির অনুসন্ধান।

ঋণ নিয়ে তা ফেরত না দেয়ার ঘটনা সর্বত্র প্রমাণিত। যার ফলে পদ্মা ব্যাংক থেকে নেয়া এক কোটি টাকা ফেরত না দেয়ায় সুদে আসলে তা দাঁড়ায় দু কোটি ৭১ লাখ টাকায়।

পদ্মা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের মামলায় এমন ঘটনার বর্ণনা করা হয় তথ্য প্রমাণ সহ। আসামি করা হয় পদ্মা ব্যাংক বা সাবেক ফারমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতি ওরফে বাবুল চিশতিসহ চারজনকে।

১৬ জুলাই চার ব্যাংকের কাছে শাহেদ ও তার প্রতিষ্ঠানের হিসাব খোলার আবেদনপত্র, কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসেসিয়েশন অ্যান্ড আর্টিক্যালস অব অ্যাসোসিয়েশন, ট্রেড লাইসেন্স, হিসাব বিবরণী, ঋণ গ্রহণের আবেদন, মঞ্জুরিপত্র, বন্ধকী দলিল, বন্ধকী সম্পত্তির টাইটেল ডিড, মামলার আর্জি ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত কপি চাওয়া হয়েছে। সপ্তাহ না পেরোতেই এরই মধ্যে দুটি ব্যাংকে অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধভাবে ঋন নেয়ার অভিযোগ প্রাথমিক প্রমানের ভিত্তিতে মামলা করে দুদক।

এর মধ্যে এনআরবি ব্যাংক লি: থেকে ১ কোটি ৫১ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্যপত্র পর্যালোচনা করে শাহেদের বিরুদ্ধে আত্মসাত ও পাচারের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

নানা অনিয়ম, প্রতারণা, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ ও করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের প্রধান কার্যালয়, উত্তরা ও মিরপুর শাখা র‌্যাব সিলগালা করার পর গত ১৪ জুলাই সাতক্ষীরা থেকে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ করিমের নামে দেড় শতাধিক অভিযোগ জমা পড়ে।

এরইমধ্যে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ ওরফে শাহেদ করিমের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।