যেভাবে প্রতারণা করতো সেই নাইজেরিয়ার প্রতারক চক্র, তদন্তে বেড়িয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রতারণার টাকা লেনদেন করতে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিতো নাইজেরিয়ার প্রতারক চক্র। আর তা সংগ্রহ করে দিতো বাংলাদেশের তিন প্রতারক। তাদের গ্রেফতার কোরে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। তারা আরো বলছে, এ চক্রের সঙ্গে কাস্টমস ও ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তাও জড়িত।

ফেসবুকে বন্ধুত্বের পর ভুতুড়ে উপহারের পাঠানোর নামে হাতিয়ে নেয়া হয় টাকা। কেউ উপহার নিতে অস্বীকার করলেই দেয়া হতো আইনের মারপ্যাচেঁ ফেলার হুমকি। রাজধানীজুড়ে নাইজেরিয়ান প্রতারক চক্রের এমন তান্ডবের পর চলতি জুলাইয়ে শুরু হয় সিআইডর অভিযান। যাতে ধরা পড়ে প্রতারক চক্রটির ৪০ সদস্য। শুধুমাত্র গেল ৬ দিনেই গ্রেফতার করা হয়েছে ১৬ প্রতারককে।

রোববার সংবাদ সম্মেলনে সিআইডি জানায়, ২০১৮ সাল থেকে প্রতারক চক্রটি হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক কোটি টাকা। ঢাকায় প্রধান নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রতারণার জাল ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনাও ছিলো তাদের। আর এদের সাথে জড়িত কাস্টমস ও ব্যাংকিং সেক্টরের কিছু অসাধু কর্মকর্তাও।

সিআইডির সাইবার মনিটরিংয়ের এএসপি মো. রেজাউল মাসুদ বলেন, প্রথমে ফেসবুকে তার ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠায়। এরপর কয়েকদিনের মধ্যে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তুলে। আমরা অর্ধশত অ্যাকাউন্ট নজরে আনছি। আমরা কিছু বই পেয়েছি, কিছু চেক পেয়েছি।

এসব প্রতারণার ফাঁদ থেকে বাঁচতে জনগণকে আরো সচেতন হওয়ার আহ্বানও জানায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাটি।

সিআইডির সাইবার মনিটরিংয়ের এএসপি মো. রেজাউল মাসুদ বলেন, ব্যাংকিংক লোকজন থাকতে পারে। কাস্টম ভিত্তিক লোক থাকতে পারে।

পরে সংবাদ সম্মেলনে ১০ লাখ টাকাসহ ভিআইপি সিম বিক্রি প্রতারক চক্রের এক সদস্যকিও গ্রেফতারের কথা জানায় সিআইডি।