যেকোনো হঠকারী পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক কঠোর জবাব দেয়া হবে: মুখপাত্র

ইরানের স্বার্থবিরোধী যেকোনো হঠকারী পদক্ষেপের ‘তাৎক্ষণিক, গুরুতর ও শক্তিশালী জবাব’ দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে সোমবার তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তিনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে এক মুহূর্ত দেরি করবে না বরং যেকোনো হঠকারিতার তাৎক্ষণিক, গুরুতর ও শক্তিশালী জবাব দেবে।

ওমান সাগরে গত বৃহস্পতিবার রাতে ইহুদিবাদী ইসরাইলের মালিকানাধীন একটি জাহাজে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করে আমেরিকা ও ব্রিটেন বক্তব্য রাখার পর এ প্রতিক্রিয়া জানালেন খাতিবজাদে।

ওমান সাগরের ঘটনার একদিন পর প্রথম ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত ওই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেন। এরপর রোববার বেনেতের কণ্ঠে সুর মেলান মার্কিন ও ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। তারা কোনো প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই জানিয়ে দেন, ওই হামলা যে ইরান চালিয়েছে সে ব্যাপারে তারা ‘নিশ্চিত’ হয়েছেন।

কোনো কোনো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে একথাও চাউর হয় যে, ইসরাইলকে ইরানের বিরুদ্ধে ‘প্রতিশোধ নিতে’ তেলআবিবকে সবুজ সংকেত দিয়েছে ওয়াশিংটন ও লন্ডন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেছেন, ইরান সব সময় পারস্য উপসাগর দিয়ে চলাচলকারী বেসামরিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে এবং এখনও এ বিষয়ে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

খাতিবজাদে বলেন, পারস্য উপসাগরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য ইরান দায়ী নয় বরং এ অঞ্চলে বহিঃশক্তির সেনা ও যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতির কারণে পারস্য উপসাগরে অস্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হচ্ছে।

সূএঃ পার্সটুডে