যা নিয়ে আমিরাত ছাড়লেন মার্কিন-ইসরায়েলি প্রতিনিধিরা

মধ্যপ্রাচ্যের ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েল ও মুসলিম রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সোমবার (৩১ আগস্ট) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। ইসরায়েলর ‘এল আল’ বিমান সংস্থার প্রথম ফ্লাইটটি সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহারের মাধ্যমে আবুধাবিতে অবতরণ করে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিনিধিরা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শেষে আমিরাত ত্যাগ করেন। পরে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ পরিচালক হান্দে আল-ওতাইবা টুইট বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেছেন, মার্কিন-ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের সংযুক্ত আরব আমিরাতে ঐতিহাসিক সফর শেষ হয়েছে, যা সহযোগিতার নতুন যুগের সূচনা করেছে। আমাদের জনগণের জন্য বন্ধুত্বের সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া এবং অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি বাড়ানোর সকল প্রয়াসের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

মঙ্গলবার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বিবৃতির মাধ্যমে জানায়, এখন উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে আর্থিক পরিষেবা সহযোগিতা নিয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠনে সম্মত হয়েছে দুদেশ।

 

ফিলিস্তিনি তথা গোটা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে গত ১৩ আগস্ট বর্ণবাদী ইসরায়েলের সঙ্গে পুর্ণাঙ্গ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় আরব আমিরাত।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও উপদেষ্টা জারেড কুশনার ছাড়াও ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিইর বেন শাবাত ও মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়ান মূল আলোচকের ভূমিকায় ছিলেন।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের ভোট বাড়াতে ট্রাম্প নির্বাচনের আগেই এই চুক্তি সই করাবেন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক করার সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। ফিলিস্তিনের সব সংগঠন এটাকে পেছন থেকে ছুরি মারার সঙ্গে তুলনা করেছে।

সূত্র : সৌদি গেজেট