মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর ইরানের অস্ত্র নির্মাণকারী দেশে পরিণত হওয়ার গল্প

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যতম অস্ত্র নির্মাণকারী দেশে পরিণত হয়েছে। মূলত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণেই এক্ষেত্রে অনেক বড় বড় সাফল্য এসেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট)’ টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী ১৭ অক্টোবর ইরান-বিরোধী অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপরই দুই দেশ নয়া চুক্তির আওতায় সম্পর্ক জোরদার করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেছেন, অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মস্কোর সঙ্গে তেহরানের সহযোগিতার নয়া অধ্যায় শুরু হবে।

তার মতে, দুই দেশেরই উচিৎ শত্রুদের কথা না শুনে পারস্পরিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো।

 

আমির হাতামি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীকে সব সময় এমনভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে যাতে শত্রুরা বুঝতে পারে তারা যে কোনো হামলার পাল্টা জবাব পাবে এবং সম্ভাব্য অর্জনের চেয়ে তাদের ক্ষতি হবে বেশি।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্র ইরাক ও সিরিয়ায় সন্ত্রাসীরা প্রথম দিকে যে তাণ্ডব চালিয়েছে তা ইরান ও রাশিয়ার জন্যও হুমকি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, ইরানে এ ধরণের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না।

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির হাতামি রাশিয়ায় দুই দিনের সফরে সেদেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়া সামরিক প্রদর্শনী ‘আমি টুয়েন্টি’ পরিদর্শন করেছেন।

সূত্র : পার্সটুডে