মাদারীপুরে আবাসিক হোটেলে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৪

মাদারীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বজন ও এলাকাবাসী।

মামলার পরে অভিযুক্ত বায়েজিদ মাতুব্বর ও তার ৩ সহযোগিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তারা হলো: শিবচর উপজেলার নিখলী গ্রামের আক্কাস মাতুব্বরের ছেলে বায়েজিদ মাতুব্বর (২০), রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামের মোতালেব শেখের ছেলে পিয়াস জামান (২৩), সদরের রাজারচর এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে শান্ত রহমান (২২), একই উপজেলার হ্মামনদী গ্রামের মৃত বিশাই মোল্লার ছেলে রহমান মোল্লা (৫০)।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, মাদারীপুরের শিবচরে ইতালি প্রবাসী বায়েজিদ মাতুব্বরের সাথে ৬ মাস আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় সদরের মা-বাবা হারা ওই কিশোরীর। এরপর দুজনের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

গত ৩০ আগস্ট সারাদিন বিভিন্নস্থানে বেড়ানো শেষে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই কিশোরীকে শহরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায় বায়েজিদ। পরে কিশোরীকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ তার।

একপর্যায়ে ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে পালানোর চেষ্টা করে বায়েজিদ।

বিষয়টি জানতে পেরে কিশোরীকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।

এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

ওই কিশোরীরর ভাই জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বায়েজিদ এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনার এমন বিচার চাই, যা দেখে অন্য কেউ ভবিষ্যতে এমন করতে সাহস না পায়।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রিয়াদ মাহমুদ জানান, ওই কিশোরীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তাকে বিষাক্ত কিছু খাওয়ানো হয়েছিল।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, এ ঘটনায় নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে অভিযুক্ত বায়েজিদ মাতুব্বরসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এদিকে নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী সদর হাসপাতালে পুলিশি প্রহরায় চিকিৎসা নিচ্ছে। আর, গ্রেফতার ৪ জনকে পাঠানো হয়েছে আদালতে।