মাছ ধরার জন্য কালভার্ট খুলে দিতেই ধসে গেল বাঁধ!

বাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্ধ করে দিয়েছিল নাটোরের সিংড়ার কলকলিপাড়া বাঁধের কালভার্টটি। কিন্ত ভরা নদীতে মাছ ধরার লোভ সামলাতে পারেনি বিলসহ এলাকার প্রভাবশালী কিছু মানুষ। মাছ ধরার জন্য কালভার্টটি খুলে দিতেই বিপৎসীমার ওপরে থাকা আত্রাই নদী আগ্রাসী রুপ নিয়ে যেন হামলে পড়ে কালভার্টের ওপর।

পানির চাপ সহ্য করতে না পেরে কালভার্টটি মুহূর্তের মধ্যে ধসে চলে যায় বহুদূর। সেই সাথে ভেঙে যায় বাঁধটি। ভাঙন বাড়তে বাড়তে ৩০ মিটারে গিয়ে দাঁড়ায়। যা আরো বাড়ার আশংকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হানের।

রবিবার সন্ধ্যায় কলম ইউনিয়নের কলকলিপাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি ভাঙার পর এখন নতুন করে বন্যার মুখ দেখতে হবে ওই ইউনিয়নের ১২ গ্রামের মানুষকে। তলিয়ে যাবে চাঁদপুর বিলের শতাধিক পুকুর, আউশ ধান।

পরে খবর পেয়ে সেখানে হাজির হন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান, ইউপি চেয়ারম্যান মইনুল হক চুন্নু। বাঁধটি মেরামতে বগুড়া থেকে জিও ব্যাগ সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানান নির্বাহী প্রকৌশলী।

তবে বাঁধ মেরামতের আগেই সর্বনাশ যা হওয়া হয়ে যাবে বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি জানান, বাঁধের পাশে আশ্রয় নেয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠী মানুষ গুলো আবারো হবে নিঃস্ব।

ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীদের বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন, এলাকার স্বার্থন্বেষী মহলের মাছ ধরে মোটা টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লোভেই এতোবড় ক্ষতি হয়ে গেল।