মহানবী (সা.) ও কুরআন অবমাননার তীব্র নিন্দা জানালেন: ইরান

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান আয়াতুল্লাহ আরাফি ইউরোপে মহানবী (সা.) ও পবিত্র কুরআন অবমাননার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ইসলাম বিদ্বেষী ও সাম্রাজ্যবাদীরা জেনে রাখুন আপনাদের ঘৃণ্য তৎপরতার কারণে পবিত্র ইসলাম ধর্মের আলো কমবে না বরং তা ক্রমেই বাড়বে। সুইডেনে পবিত্র কুরআন পোড়ানো এবং ফ্রান্সের শার্লি এবদো পত্রিকায় সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.)’র ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেছেন।

আয়াতুল্লাহ আরাফি এক বিবৃতিতে আরও বলেছেন, সাম্রাজ্যবাদীদের এ ধরণের তৎপরতা মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে এ ধরণের উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান ঘোষণা করতে হবে।

এর আগে গতকাল (বুধবার) ইরানের বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মোহাম্মাদ মেহদি আসগারপুর আজ বলেছেন, ফরাসি পত্রিকার এই পদক্ষেপের মোকাবেলায় সরব হতে হবে। নীরব থাকলে চলবে না। তিনি মহানবী (সা.)-কে সঠিকভাবে তুলে ধরতে শিল্পী সমাজসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার বিশ্ব শান্তির দূত মহানবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-কে আবারও ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশ করেছে বিতর্কিত ফরাসি ম্যাগাজিন শার্লি এবদো। হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ২০১৫ সালে যে কার্টুনগুলো প্রকাশ করেছিল সেগুলোই আবার প্রকাশ করেছে তারা।

বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ম্যাগাজিন শার্লি এবদো’র সবশেষ সংস্করণের প্রচ্ছদে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে ব্যঙ্গ করে আঁকা ১২টি কার্টুন ছাপা হয়েছে।

এই ব্যঙ্গাত্মক কার্টুনগুলো ২০০৫ সালে প্রথম প্রকাশ করেছিল ডেনমার্কের একটি পত্রিকা। এরপর কয়েক বার শার্লি এবদো বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত মহামানব হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন ছাপায়।

২০১৫ সালে মহানবীকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রকাশের পর বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়। সারা বিশ্বের মুসলমানেরা বিক্ষোভ করেন।