ভারত কখনোই বলেনি যে ভ্যাকসিন দেবে না : মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘এখন আমরা একটি ভালো অবস্থানে রয়েছি। আগামীতে ভ্যাকসিনের কোনো ধরনের সংকট থাকবে না। আমরা পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ভালো অবস্থানে রয়েছি। জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে এ মাসেই ভ্যাকসিন পাওয়ারও আশাবাদ ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা কোভ্যাক্স কাঠামোর আওতায় চলতি মাসেই জাপানের কাছ থেকে ২.৫ মিলিয়ন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে আরও ১ মিলিয়ন ডোজ কোভিড ভ্যাকসিন পেতে পারে। ভ্যাকসিনের এই ডোজের সঠিক সংখ্যা এখনও ঠিক না হলেও চলতি মাসেই এই সংখ্যক ভ্যাকসিন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

তিনি বলেন, ‘এগুলো অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন হতে পারে। চীন ও রাশিয়ার টিকার বিষয়ে ড. মোমেন বলেন, ‘ঢাকা- চীন ও রাশিয়া থেকে কোভিড ভ্যাকসিন ক্রয়ের জন্য সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি।

পুনরায় ভারতীয় ভ্যাকসিন আসার ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, ‘নয়াদিল্লি কিন্তু কখনোই বলেনি যে- তারা বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দেবে না। ভারতের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলেই ঢাকা ক্রয়কৃত অবশিষ্ট ভ্যাকসিন পাবে।

বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত আটটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে। সেগুলো হলো : মর্ডানা, জনসন অ্যান্ড জনসন, করোনাভ্যাক, ফাইজার, কোভিশিল্ড, স্পুটনিক ভি, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও সিনোফার্ম।