ভারতে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঈদের আনন্দ ম্লান, প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

ভারতে চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সতর্কতার মধ্যে ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে। প্রাণঘাতী করোনার থাবায় গভীর সঙ্কটের মধ্যে কার্যত ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আজ (শনিবার) দিল্লির জামে মসজিদে দৈহিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং মুখে মাস্ক পরিহিত অবস্থায় মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি দিল্লিতে নিজ বাসায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। তিনি দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

জম্মুতে করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন চলায় মানুষজন মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি। জম্মুতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা প্রশাসন লকডাউন ঘোষণা করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে সোমবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত ওই লকডাউন কার্যকর থাকবে।

লকডাউন চলায় জম্মু সড়কে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের পাশাপাশি আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে এবং মানুষজনে বাসার বাইরে না বেরোতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লকডাউন চলায় জেলার সমস্ত দোকানপাট বন্ধ থাকায় মানুষজন ঈদের কেনাকাটা করতে পারেননি।

ঈদ উপলক্ষে পশ্চিম উত্তর প্রদেশে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বেশিরভাগ শহরের মানুষজন বাসাতেই ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

বিভিন্ন ঈদগাহের গেটে এদিন তালা দেওয়া ছিল। মীরাটে নিরাপত্তাজনিত কারণে কমপক্ষে ১ হাজার ৮০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়।

কানপুরসহ আশেপাশের ১৩ টি জেলায় মসজিদে নামাজ না হওয়ায় মানুষজন বাসাতেই ঈদের নামাজ পড়েছেন। আগ্রাতে বিভিন্ন জায়গায় মসজিদ পরিচালন কমিটির লোকজন মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন এবং এসময় তারা করোনাভাইরাস নির্মূলের জন্য দোয়া করেছেন।

বারানসীতে দৈহিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মসজিদে এসময় মাত্র ৫ জন নামাজ আদায় করেছেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শহর ও শহরতলিতে ঈদগাহ ময়দানের পরিবর্তে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন মসজিদ এবং গ্রাম এলাকায় অপেক্ষাকৃত ছোট ঈদগাহে ও বাড়িতে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।