বাইডেনকে সমর্থন, ট্রাম্পকে আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে চান না

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে রিপাবলিকান দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দেশের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে রিপাবলিকান দলের অনেক নেতাই এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে চান না।

এবার তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন রক্ষণশীল ধনী রিপাবলিকানরা। তারা এবার ট্রাম্পকে সমর্থন দেবেন না বলে জানিয়েছেন। এমনকি তারা বিরোধী প্রার্থী ডেমোক্র্যাট দলের জো বাইডেনকে সমর্থন দিতেও উঠেপড়ে লেগেছেন। এমনকি নিজেদের দলের প্রেসিডেন্টকে উৎখাতে দু’হাতে টাকাও খরচ করছেন।

টেনেসিস অঙ্গরাজ্যের অন্যতম ধনী জিমি টোস ট্রাম্পের ৮০ ভাগ মতের সঙ্গে একমত। কিন্তু তিনি জানান, দেশের গণতন্ত্র ট্রাম্পের হাতে নিরাপদ নয় বলে তিনি সমর্থন প্রত্যাহার করেছেন। তিনি বরং ট্রাম্পকে হারাতেই কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছেন।

এক সাক্ষাৎকারে জিমি টোস বলেন, আমি তার (ট্রাম্পের) ৮০ ভাগ কাজের সঙ্গেই একমত। কিন্তু একজন আগাগোড়া মিথ্যুককে আমি সমর্থন করতে পারি না। ট্রাম্পের ব্যাপারে এমন মনোভাব শুধু জিমির একার নয়।

এই সংখ্যা এখন প্রতিদিনই বাড়ছে। ধনী ও রক্ষণশীল এই মার্কিনীরা বলছেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র এবং রিপাবলিকানের মতো সুপ্রাচীন রাজনৈতিক দলের জন্যও বড় ধরনের হুমকি।

রিপাবলিকান সমর্থকদের এই অংশ এখন বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টি মনোনীত প্রার্থী সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে সমর্থন করছেন এবং ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে তাকেই ভোট দেবেন বলে মনস্থির করেছেন।

আর লিংকন প্রজেক্টের শীর্ষ রিপাবলিকান ধনীরাও ট্রাম্পের বিরোধিতায় নেমেছেন। এমনকি কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ যাতে ডেমোক্র্যাটরা পান সেই চেষ্টাও তারা করছেন।

জিমি টোস ছাড়াও ট্রাম্পবিরোধীর তালিকায় ওয়ালমার্টের উত্তরাধিকারী ক্রিস্টি ওয়ালটন, হেইজ ফান্ডের রেডলিফসহ অনেকেই রয়েছেন, যাদের সবাই রিপাবলিকান। লিংকন প্রজেক্ট গোষ্ঠীর বাইরেও বেশ কয়েকজন প্রসিদ্ধ রিপাবলিকানকে নিয়ে সম্প্রতি আরও একটি গ্রুপ গড়ে উঠেছে। মূলত বিরোধী জো বাইডেন ও তার ঘনিষ্ঠদের সমর্থন দিচ্ছে এই গ্রুপ।