সাততলা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও তদন্ত দাবি ফখরুলের

রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষের দুই শতাধিক ঘর পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার (৭ জুন) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মহাখালীর সাততলা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে খেটে খাওয়া গরিব মানুষের দুই শতাধিক ঘরবাড়ি পুড়ে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি। অতীতে রাজধানীর বস্তি এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও সরকার ও সিটি করপোরেশন এসব অগ্নিকাণ্ডের পুনরাবৃত্তিরোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে উদাসীন থেকেছে।

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পর সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এ পর্যন্ত সেসব তদন্তের ফলাফল আলোর মুখ দেখেনি।সরকারের এমন উদাসীনতায় একের পর এক দুর্ঘটনায় অসংখ্য প্রাণ ঝরে যাচ্ছে, মানুষ সহায়-সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে। এসব বস্তি এলাকায় ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ক্ষমতাসীনদের বস্তি দখল, পুনর্দখল, উচ্ছেদ, নিয়ন্ত্রণ অগ্নিকাণ্ডের কারণ বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। জনগণের জান-মাল রক্ষা করতে সরকারের এই ব্যর্থতা ও উদাসীনতা জনজীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে। সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা করোনার ঝুঁকির মধ্যেও রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে এক কাপড়ে খাদ্যকষ্টে মানবেতর অবস্থায় আছেন। আমি অবিলম্বে অগ্নিকাণ্ডের শিকার মহাখালীর সাততলা বস্তির গৃহহীন মানুষদের বিকল্প আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর এবং খাদ্য, পরিধেয় বস্ত্র, চিকিৎসা ও ত্রাণ বিতরণসহ বস্তিবাসীদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।