পাথরঘাটা হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সের চাবি ঢাকায়!

সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চাবি নিয়ে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ঢাকায় অবস্থান করছেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মো. আবুল ফাত্তাহ।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মো. আবুল ফাত্তাহ ঢাকায় চলে যান। তার যাওয়ার সময় একাধিক চিকিৎসক চাবি রেখে যাওয়ার কথা বললেও তিনি চাবি পকেটে নিয়েই চলে গেছেন।

এ নিয়ে চিকিৎসকসহ পাথরঘাটার রোগীরা চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত ও বিড়ম্বনায় পড়েছেন। এ উপজেলার বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে দিগুণ ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

এ নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা স্থানীয় মানুষের রোষানলেও পড়ছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছেও কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি দায়িত্বরত চিকিৎসকরা।

পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার মো. নাসির উদ্দিন জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সের চাবি স্যার আমার কাছ থেকে অনেক আগেই নিয়ে গেছেন।

পরে আমি চাবি চেয়ে স্যারের কাছে মৌখিক ও লিখিতভাবে আবেদন করেছি কিন্তু তিনি দেন নাই। চাবির ব্যাপারে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার নার্সসহ সবাই জানেন কীভাবে আমার কাছ থেকে চাবি নেয়া হয়েছে।

পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা মো. আবুল ফাত্তাহ মোবাইলে সাংবাদিকদের জানান, চাবি আমার কাছে থাকার কথা না, চাবি ড্রাইভারের কাছে থাকে; তার কাছেই ছিল।

ড্রাইভারের করোনা পজিটিভ হওয়ার কারণে প্রত্যয়নপত্র দরকার ছিল, সে প্রত্যয়নপত্রও দেয়নি। আর চাবির জন্য আবেদন করা দরকার ছিল তাও সে করেনি। সে বিভিন্ন স্থানে বলেছে চাবি আটকে রেখেছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।

বরগুনা জেলা সিভিল সার্জন মো. হুমায়ুন শাহীন খান বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চাবি নিয়ে তিনি ঢাকা যেতে পারেন না। খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।