পাঞ্জশিরে ৩৫০ তালেবান যোদ্ধাকে হত্যার দাবি নর্দান অ্যালায়েন্সের

পাঞ্জশির ছাড়া আফগানিস্তানের সব এলাকা দখলে নিয়েছে তালেবান। কিন্তু এখনো পাঞ্জশিরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে নর্দান অ্যালায়েন্স। পাঞ্জশির দখল নেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে তালেবানের জন্য। পাঞ্জশিরে ৩৫০ জন তালেবান যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে নর্দান অ্যালায়েন্স। একই সঙ্গে ৪০ তালেবান যোদ্ধাকে বন্দি করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে বুধবার নর্দান অ্যালায়েন্স জানিয়েছে, গতরাতে খাভাকে এক সংঘর্ষে ৩৫০ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে। ৪০ জনের বেশি তালেবান যোদ্ধাকে বন্দি করা হয়েছে। যুদ্ধ শেষে নর্দান অ্যালায়েন্সের দখলে এসেছে আমেরিকান গাড়ি, অস্ত্র ও গোলাবারুদ।

তবে তালেবানের তরফ থেকে এই দাবির ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। বরং পাঞ্জশিরে ঢুকে শুতার জেলা দখলে নেওয়ার দাবি করছে সংগঠনটি।

আফগানিস্তান থেকে নির্ধারিত সময়েই সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর যেকোনো সময় তালেবান নতুন মন্ত্রিসভার ঘোষণা দেবে বলে জানা গেছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মন্ত্রিসভার ঘোষণা দেবে বলে বুধবার একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা আজই (১ সেপ্টেম্বর) কাবুল পৌঁছাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় আজ সন্ধ্যায় কিংবা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) তালেবান নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা করবে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এদিকে, আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনার প্রত্যাহারের পর পুরোপুরি কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান। গুলি ছুড়ে যুদ্ধের সমাপ্তি উদযাপন করছে সংগঠনটির সদস্যরা।