পটুয়াখালীর জোড়া খুনের প্রধান আসামি আওয়ামী লীগ নেতার জামিন

পটুয়াখালীর বাউফলে ২ যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার প্রধান আসামি কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন লাভলু উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ শুনানির পর তাকে ৪ সপ্তাহের জন্য জামিন দেন।

এদিকে প্রধান আসামির জামিনের খবর পেয়ে নিহতের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ সালেহউদ্দিন পিকু।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২ আগস্ট আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা কেশবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি রুমান তালুকদার (৩১) ও তার চাচাতো ভাই যুবলীগ কর্মী ইসরাত তালুকদারকে (২৫) কুপিয়ে ও পিটিয়ে খুন করে। এ ঘটনায় নিহত রুমানের বড় ভাই মফিজ উদ্দিন পিন্টু ৫৯ জনের নাম উল্লেখ করে বাউফল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন লাভলুকে। মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও কেএম জাহিদ সারওয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি শেষে মহিউদ্দিন লাভলুকে ৪ সপ্তাহের জন্য জামিন দেয়া হয়।

নিহত রুমানের বড় ভাই কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ সালেহ উদ্দিন পিকু বলেন, জোড়া খুনের প্রধান আসামি জামিন পাওয়ায় আমরা মর্মাহত ও আতংকিত। আমার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

প্রসঙ্গত, কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ সালেহ উদ্দিন পিকুর সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন লাভলুর আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলছে।