নেতার কব্জি বিচ্ছিন্ন করায় ছাত্রলীগের ৪ কর্মী বহিষ্কার, কমিটি বিলুপ্ত

উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান মূর্তজা বুধবার ১৯ আগস্ট রাতে বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় ১৮ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ২০ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ মামলার এজাহার নামীয় ছাত্রলীগকর্মী রাব্বি (২২) ও মৃদুল গয়ালীকে (২১) পুলিশ বুধবার রাতে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে।

এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ১৯ আগস্ট স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মঠবাড়িয়া পৌর ছাত্রলীগের কর্মী শাকিল আহম্মেদ সাদি, তানভির মল্লিক, তৌফিক হাসান, কোরবান জুনায়েদকে হামলায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বহিষ্কার ও পৌর ছাত্রলীগ কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, আমার ও আহত শুভ শীলের সঙ্গে আসামিদের সঙ্গে পূর্ববিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগ নেতা শুভসহ আমাদের খুন জখমের হুমকি দিয়ে আসছিল আসামিরা।

এ বিরোধের জেরেই গত মঙ্গলবার রাতে আসামিরা ছাত্রলীগ নেতা শুভর ওপর হামলা চালিয়ে চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি দিয়ে ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করে। পরে হাতের বিচ্ছিন্ন অংশ নিয়ে সন্ত্রাসীরা উল্লাস করে চলে যায়।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. মাসুদুজ্জামান জানান, ছাত্রলীগ নেতা শুভর ওপর হামলা ও হাতের কব্জি কেটে নেয়ার ঘটনার মামলায় এজাহার নামীয় আসামি রাব্বি ও মৃদুল গয়ালীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।