ধর্ষণের পর সারা শরীরে খুঁচিয়ে খুন, মিলল পশুর খাওয়া ক্ষত-বিক্ষত দেহ

উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপের আবেদন করতে বেরিয়েছিল ১৭ বছরের কিশোরী। কিন্তু উচ্চশিক্ষা আর তার পাওয়া হলো না। বরং তার বদলে মিলেছে গণধর্ষণ, নির্মমভাবে মৃত্যু। এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরে।

নিজের গ্রামের বাড়ি থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপের আবেদন করতে বেরিয়েছিলেন মেয়েটি৷ গ্রামের সীমান্ত পেরনোর ২০০ মিটারের মধ্যে একটি শুকনো পুকুরের পাশে পাওয়া যায় মেয়েটির ক্ষতবিক্ষত দেহ। নিমগাঁও পুলিশ থানা এলাকায় পাওয়া যায় ধর্ষণ হওয়া মেয়েটির নিথর দেহ।

তার শরীর তীক্ষ্ণ অস্ত্র দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছিল। মেয়েটির ঘাড়ে ও দুই পায়ে অসংখ্য ক্ষত রয়েছে। যা দেখে পুলিশ আশঙ্কা করছে মেয়েটি ধর্ষণের পর খুন করে চলে গেলে তার শরীরে থাবা বসিয়েছে কোনো পশুও।

সত্যেন্দ্র কুমার সিং জানিয়েছেন, পোস্টমর্টেমে প্রমাণ পাওয়া গেছে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। নিহতের মা-বাবা জানিয়েছেন, মেয়েটি উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রী। পাশের শহরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিল স্কলারশিপের ফর্ম পূরণ করার জন্য।

 

কিশোরীর কাকা জানিয়েছেন, কে বা কারা এ জঘন্য অপরাধ করেছে তার সম্পর্কে তাদের কোনও ধারণা নেই। সোমবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ মেয়েটি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল।

এসপি জানিয়েছেন, এ ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের জন্য বিশেষ দল তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীরা ইতোমধ্যেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্লু পেয়েছেন। আর তারা শিগগিরই খুনিদের গ্রেফতার করবেন।