দূতাবাস স্থানান্তরকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে ফিলিস্তিন

যেসব দেশ তাদের দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তর করবে সেসব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করবে ফিলিস্তিন।

ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা বা পিএলওর নির্বাহী কমিটির মহাসচিব সায়েব এরিকাত রোববার এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে  জানিয়েছে।

পশ্চিম তীরের রামাল্লায় দেয়া এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তর আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি।

সম্প্রতি আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিকীরণের চুক্তি হয়। এতে মধ্যস্থতায় অংশ নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ চুক্তির ফলে উভয় দেশে দূতবাস স্থাপন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সরাসরি ফ্লাইট চলাচলসহ নানা সুবিধা ভোগ করছে দেশ দুটি।

ইসরাইলকে আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরবও।

এদিকে রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলকে কয়েকটি দেশ স্বীকৃতি দেয়ার ব্যাপারে সম্মত হওয়ায় নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করছে হামাস ও হিজবুল্লাহ।

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ নিজেদের সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।

এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি দেশ জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী স্বীকৃতি দিয়ে নিজেদের দূতাবাস খুলেছে। এর একটি যুক্তরাষ্ট্র, আরেকটি গুয়েতেমালা।

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ২০১৭ সালে তার প্রশাসন তেলআবিব থেকে সরিয়ে জেরুজালেমে তাদের দূতাবাস স্থানান্তরিত করে। তবে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ প্রথম থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে।

ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা জেরুজালেম।

ফিলিস্তিনিরা জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে মেনে রাষ্ট্র গঠন করতে চায়। কিন্তু তেলআবিব থেকে সরিয়ে জেরুজালেমকে রাজধানী ঘোষণা করেছে ইসরাইল।