দীর্ঘ বন্ধে হল খোলার দাবিতে শিক্ষার্থীদের অস্থিরতা

করোনা মহামারির উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত বছরের মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। দেখতে দেখতে একটি বছর কেটে গেলেও হল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে এখনও কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে হল খোলার দাবি জানিয়েছেন।

তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হল খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে করোনার দোহাই দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় এড়িয়ে যাচ্ছেন। যার কারণে হল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হঠাৎ অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ঘটছে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনাও।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, গত বছরের মার্চ থেকে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় টানা প্রায় এক বছর বন্ধ থাকা ও শিক্ষার্থীরা হলের বাইরে থাকায় তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। আর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও অনলাইনে ক্লাস ও পরীক্ষা চালু রেখেছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, অনেক শিক্ষার্থীর আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল নয়। যার কারণে তাদের অনেকের স্মার্টফোন নেই। তবে স্মার্টফোন ও ইন্টানেটের খরচ জোগাতে পারলেও কোভিড পরিস্থিতির কারণে গ্রামে চলে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

তবে এসব ভোগান্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় না নিয়েই অলাইনে ক্লাস পরীক্ষা চলমান রেখেছে এবং এই অনলাইন ক্লাসের ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনগুলোর এই আচরণে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

কোভিড পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণায় স্বল্প সময়ের জন্য হবে এমনটি ভেবে অনেক শিক্ষার্থীই তখন হল ছেড়ে দেয়। অল্প সময়ের মধ্যে হল খুলে দেয়া হবে এমন ধারণা থেকে শিক্ষার্থীদের অনেকেই জরুরি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও রেখে যান আবাসিক হলেই। তবে দফায় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়তে থাকলে শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েন।

সময় মতো পরীক্ষা না হওয়ায় একদিকে সেশনজট, অন্যদিকে আর্থিক চাপেও পড়ে যান বহু শিক্ষার্থী। করোনা মহামারিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বন্ধ নেই চাকরির নিয়োগ। সামনে বিসিএস, ব্যাংক নিয়োগ, এনএসআই, অডিট নিয়োগের মতো নানা পরীক্ষা চলমান রয়েছে। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেমে নেই। তবে, পড়াশোনা করতে নানা সমস্যায় পড়ছেন শিক্ষার্থীরা।

তারা জানিয়েছেন, বাসায় থেকে অনেকের পড়াশোনা নানা কারণে হয় না। আবার অনেকেরই শিক্ষা উপকরণ আবাসিক হলে রয়ে যাওয়ায় পড়ালেখার উপর তার প্রভাব পড়তে থাকে।

নানাবিধ সমস্যার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শহর এলাকায় বাসা বা মেস ভাড়া করে থাকছেন পড়ালেখা চালিয়ে যেতে। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থীর আর্থিক অবস্থা দুর্বল হওয়ায় সেখানে থাকতেও নানা সমস্যার সন্মুখীন হতে হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, করোনার মধ্যেও সারা দেশ যেখানে বিশেষ ব্যবস্থায় চলাচলে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও খুলে দেয়া যেতে পারে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে দেশের অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন, মানববন্ধন অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে হল খুলে না দিলেও শিক্ষার্থীরা জোরপূর্বক তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করেছে- এমন অভিযোগও উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে আন্দোলনে নেমেছেন। এরমধ্যে জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্থানীয়দের সঙ্গে ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাস শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়েছে। এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হল খোলার দাবি সাধারণ শিক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হৃদয় মিয়া বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য ক্যাম্পাসের হলগুলো বন্ধ প্রায় এক বছর। সারা দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও হল খোলা নিয়ে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা বেশ কিছুদিন বাড়িতে থাকার ফলে ছোট ছোট অপ্রীতিকর ঘটনায় এলাকায় ও ক্যাম্পাসের আশেপাশের মেসে থাকার কারণে জড়িয়ে পড়ছে। যার সবশেষ উদাহরণ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভাই-বোনেরা। হল না খোলার কারণে অনেক বর্ষের শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। করোনায় অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত পরিবারের সন্তানেরাও চাকরির পড়াশোনার জন্য স্ব স্ব ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে চাচ্ছে কিন্তু মেস কিংবা বাইরে থাকার ব্যয় সংকুলান করতে পারছে না। তাছাড়া হল না খোলার কারণে নানা সংকটে আছেন শিক্ষার্থীরা।

তিনি আরও বলেন, করোনার ভ্যাকসিন চলে এসেছে, অনেক লোক ভ্যাকসিন নিয়েছেন। প্রশাসন কোথায় শিক্ষার্থীদের জন্য ভ্যাক্সিনেশন ব্যবস্থা করবেন, তারা অসহযোগিতা মূলক আচরণ শুরু করেছে। সারা দেশের সব কিছু খোলা, তারপরও হল খুলে দেয়ার কিসের এত ভীতি? আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা মনে করি, হল বন্ধ রাখা প্রশাসনের অবিবেচনাপ্রসূত ইচ্ছা মাত্র।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মেশকাত মিশু বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে হলগুলোই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। করোনা উপেক্ষা করে শত শত শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে চলে এসেছে। হল খোলা না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের মেসগুলোতে থাকছে। কিন্তু আমার মনে হয় এতে দীর্ঘদিনের গৃহবন্দী জীবনের একটা ইতি আসলেও খুব একটা লাভ হয়নি। শুধু পালিয়ে বেড়ালাম। হলের পরিবেশ আর মেসের পরিবেশে অনেক তফাৎ। এত সংখ্যক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাইরে আছি। হলে থাকলে একটা নিরাপত্তা পেতাম। বরিশাল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা নৃশংস হামলার শিকার হয়েছে, আমরা অনেকটা তাদের মতো পরিস্থিতিতে আছি। ক্যাম্পাসের বাইরে প্রতিনিয়ত একটা আতঙ্ক কাজ করে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন সরকারি সিদ্ধান্তের অজুহাত দিয়ে দিন পার করছে।

তিনি আরও বলেন, এভাবে আর কতদিন? আপনি প্রাইমারি বা হাইস্কুল বন্ধ রাখতে পারেন, অটোপাস দেয়া যায়, ক্ষতি হলেও পুষিয়ে নেয়ার সময় পাওয়া যাবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের তো সেভাবে চালিয়ে দেয়া যাবে না। আমরা তো টানেলের শেষপ্রান্তে। ছুটির বৃত্তে ১০ দিন থেকে মাস ঘুরে বছর গেল গেল অবস্থা। না হয়েছে একাডেমিক পড়াশোনা, না চাকরির। এখন আমাদের প্রতিটা সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ। এখানে যত কালক্ষেপণ করবেন ততোই দীর্ঘসূত্রতায় পরে ক্ষতিগ্রস্ত হবো আমরা, দেশটা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. বেলাল হোসেন বলেন, ৭৩ এর অধ্যাদেশ অনুযায়ী একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। যদিও সময়ের পরিক্রমায় প্রতিষ্ঠানটি তার মৌলিক বৈশিষ্ট (সম্পূর্ণ আবাসন ব্যবস্থা) হারিয়েছে। তথাপি শিক্ষার্থীদের বৃহৎ অংশটি হলেই অবস্থান করতো। এমতাবস্থায় করোনা পরিস্থিতি একটি ভিন্ন অবস্থার সূচনা করে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মধ্যবিত্ত পরিবার হতে উঠে আসা শিক্ষার্থীদের অংশটি অন্যতম। যাদের চোখেমুখে খেলা করে স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ভাব। এই মহামারি তাদের স্বপ্নকে সত্যে রুপান্তরের পথে পিছিয়ে দিয়েছে অনেক গুণ। করোনা পরবর্তী ভ্যাক্সিনেশন প্রোগ্রাম ক্যাম্পাসে ফেরার প্রত্যাশা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতা এর পথে তৈরি করে দীর্ঘসূত্রিতা। যার অনিবার্য পরিণতিই হচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন সংকট।

তিনি আরো বলেন, ‘হল খোলা থাকলে শিক্ষার্থীরা তাদের পড়ার আমেজ ফিরে পাবে। শ্রেণী কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে অনেকের শিক্ষাজীবন ত্বরান্বিত হতো। অংশ নিতে পারতো বিভিন্ন ধরনের জাতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়। হল খোলার পুরো ব্যাপারটি শিক্ষার্থীদের উপকৃতই করবে। ভ্যাক্সিনেশন কিংবা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে হল খোলার ও একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার একটি ফ্রেমওয়ার্ক দ্রুত ঘোষণা দেওয়া উচিত। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা-বিষণ্ণতা দূর হয়ে তাদের মনোবল চাঙ্গা হবে। এই মুহূর্তে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকগুলো শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা বাকি রয়েছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সোহেল রানা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খোলা না থাকার ফলে শিক্ষার্থীদের নানা ধরণের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। হল না খুলে যখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছে, তখন শিক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ আবাসন সংকটে ভুগছে যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটাচ্ছে। এর ফলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও মানসিকভাবে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এর ফলে একদিকে যেমন এটি তাদের একাডেমিক পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা তাদের লক্ষ্য থেকে ছিঁটকে পড়ছে। তাছাড়া চাকরি প্রত্যাশী অনেক শিক্ষার্থী তাদের পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ না পাওয়ার ফলে চাকরি প্রস্তুতি সঠিক সময়ে সম্পন্ন করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের এসব ভোগান্তি ও সমস্যার কথা মাথায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত অচিরেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে হলগুলো খুলে দেওয়া।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থী মাইনুদ্দীন পরান বলেন, দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকার ফলে স্বাভাবিকভাবে হলগুলোও বন্ধ রয়েছে। তাই বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই তাদের বাসায় অবস্থান করছে। তবে অনেক শিক্ষার্থী টিউশনি কিংবা ক্যারিয়ার কেন্দ্রিক পড়াশোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থান করছে। এক্ষেত্রে তারা হল বন্ধ থাকায় বাইরে মেস কিংবা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে হচ্ছে, যার দরুন নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের জন্য নিজেদের অধিক খরচ বহন করা কষ্টসাধ্য হচ্ছে। অন্যদিকে একাডেমিক কিংবা চাকরির পড়াশোনার জন্য শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল কিংবা রিডিং রুম ব্যবহার করে এবং নিজেদের মধ্যে গ্রুপ স্টাডি করে থাকে। কিন্তু হল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা সেই সুযোগ থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছে, যারফলে তাদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে বিশেষ করে মাস্টার্স কিংবা চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য হলেও সীমিত পরিসরে হল খুলে দেয়া।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রানা আহম্মেদ বলেন, পরীক্ষার কারণে অনেক শিক্ষার্থী এখন ক্যাম্পাসে চলে এসেছে। এ ছাড়া চাকরির পড়ার কারণেও অনেকেই ক্যাম্পাসে এসেছে। হল বন্ধ থাকায় বাইরে থাকতে হচ্ছে তাদের। বাইরে থাকা-খাওয়া অনেক টাকার ব্যাপার। করোনার কারণে টিউশনিও বন্ধ। তাই হল খুলে দিলে অন্তত বাইরে থাকার ভাড়া নিয়ে চিন্তা করতে হতো না।