দক্ষিণ চীন সাগরে ফ্রিগেট পাঠিয়েছে জার্মানি

গোলযোগপূর্ণট দক্ষিণ চীন সাগরে একটি ফ্রিগেট মোতায়েন করেছে জার্মানি। ২০০২ সালের পর এই প্রথম দেশটি দক্ষিণ চীন সাগরে এ ধরনের কোনো যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করল।

দক্ষিণ চীন সাগরের বড় অংশ চীন নিজের জলসীমা বলে দাবি করে আসছে। সেখানে চীনের বিপরীতে আমেরিকা বিশেষভাবে তৎপর। তাকে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ব্রিটেনেসহ আরো কিছু দেশ সমর্থন দিয়ে আসছে। আমেরিকার পাশাপাশি ব্রিটিশ সরকার সেখানে স্থায়ীভাবে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে।

গত সোমবার জার্মানি তার বায়ার্ন ফ্রিগেট দক্ষিণ চীন সাগরের উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছে এবং তাতে ২০০ সেনা রয়েছে। সাত মাসের এই সফরে ফ্রিগেটটি অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভিয়েতনাম সফর করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ফ্রিগেটটি দক্ষিণ চীন সাগর পাড়ি দেবে।

সোমবার জাহাজটির যাত্রা শুরুর অনুষ্ঠানে জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তিনি সেখানে দেয়া বক্তৃতায় বলেন- “বার্তা পরিষ্কার, আমরা আমাদের মূল্যবোধ এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য মিত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছি।” তবে এই জাহাজের মিশন কোনো দেশকে উদ্দেশ করে নয় বলে তিনি দাবি করেন।

দক্ষিণ চীন সাগরের বেশিরভাগ এলাকার মালিকানা দাবি করছে চীন। এজন্য তারা দক্ষিণ চীন সাগরে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করে সেখানে সামরিক স্থাপনা গড়ে তুলেছে যাতে নিজের স্বার্থ রক্ষা করা যায়। কিন্তু আঞ্চলিক কিছু দেশ চীনের এই দাবির বিরোধিতা করে আসছে। তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আমেরিকা এবং পশ্চিমা কয়েকটি দেশ উসকানি দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষার নামে আমেরিকা বেইজিংয়ের অবস্থান উপেক্ষা করে দক্ষিণ চীন সাগরে প্রায়ই মাঝে মাঝে নানা ধরনের অভিযান চালায়।

সূত্রঃ পার্সটুডে