দক্ষিণ চীন সাগরকে ‘চীনা সাম্রাজ্য’ নয় বলে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্বব্যাপী নোভেল করোনা ভাইরাস নিয়ে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই হঠাৎ চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

অঞ্চলটিতে চীন মূলত বেআইনিভাবে নিজেদের আধিপত্য কায়েমের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে তারা জানিয়ে দিল, দক্ষিণ চীন সাগরের ওই বিতর্কিত এলাকা চীনের কোনো উপকূলীয় সাম্রাজ্য নয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও এক টুইট বার্তায় লিখেছিলেন, মার্কিন সরকারের নীতি শুরু থেকেই পানির মতো পরিষ্কার। দক্ষিণ চীন সাগর চীনের উপকূলীয় সাম্রাজ্য নয়।

বেইজিং যদি এভাবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করতে থাকে এবং স্বাধীন দেশগুলো সে ব্যাপারে কিছুই না করে, ইতিহাস সাক্ষী চীনা কমিউনিস্ট পার্টি আরও অনেক অঞ্চল দখল করে নেবে।

তিনি আরও বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইন মেনেই দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিরোধ আমাদের মিটিয়ে নিতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সমগ্র দক্ষিণ চীন সাগর তিনটি দ্বীপপুঞ্জে বিভক্ত। তবে চীন গোটা দক্ষিণ চীন সাগরকেই নিজেদের সার্বভৌম এলাকা বলে দাবি করে আসছে।

যার অংশ হিসেবে গত কয়েক বছর যাবত বেইজিং সেখানে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করছে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, বেআইনিভাবে দক্ষিণ চীন সাগরে নিজের কর্তৃত্ব কায়েম করতে গিয়ে চীন অন্য কয়েকটি দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত করছে।

উল্লেখ্য, গত এক মাসে দুদেশের মধ্যে তিক্ততা বেড়েছে। বেইজিংকে চাপে রাখতে সম্প্রতি দক্ষিণ চীন সাগরে দু’টি রণতরীও পাঠান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যে একটি আবার ভারতীয় নৌবাহিনীর সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে যৌথ মহড়াও দেয়।