জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২ গেরিলা নিহত

জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনী ও গেরিলাদের মধ্যে সংঘর্ষে দুই গেরিলা নিহত হয়েছে। আজ (শুক্রবার) শ্রীনগরের দানমার এলাকায় নিহত ওই গেরিলারা লস্কর-ই-তাইয়্যেবার সদস্য বলে বলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ সদস্য সমন্বিত যৌথবাহিনী ওই অভিযান পরিচালনা করছে।

শ্রীনগরের দানমার এলাকার আলমদার কলোনীতে গেরিলাদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েছিল নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। এরপরে নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকাটিকে ঘিরে ফেলে। নিরাপত্তা বাহিনী প্রথমে গেরিলাদের আত্মসমর্পণ করতে বলে। কিন্তু তারা আত্মসমর্পণ না করে নিরাপত্তা বাহিনীকে টার্গেট করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনীও এ সময়ে পাল্টা গুলিবর্ষণের মধ্যদিয়ে জবাব দেয়। এরফলে শ্রীনগরের নাটিপোরার বাসিন্দা ইরফান আহমেদ সফি ও বিলাল আহমেদ ভাট নামে দু’জন গেরিলার মৃত্যু হয়।

কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমার বলেন, দু’জনেই স্থানীয় সন্ত্রাসী লস্কর-ই-তাইয়্যেবার সঙ্গে যুক্ত ছিল। বর্তমানে এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলছে। চলতি মাসে শ্রীনগরে এটি দ্বিতীয় সংঘর্ষের ঘটনা। আইজিপি বিজয় কুমার আরও বলেন, চলতি বছরে কাশ্মীর উপত্যকায় এ পর্যন্ত ৭৮ জন সন্ত্রাসীকে নির্মূল করা হয়েছে। নিহত মোট সন্ত্রাসীদের মধ্যে ৩৯ জন সন্ত্রাসী লস্কর-ই-তাইয়্যেবার সদস্য ছিল।

অন্য সন্ত্রাসীরা হিজবুল মুজাহিদীন, আল-বদর, জৈশ-ই-মুহাম্মাদ এবং আনসার-গাজওয়াতুল-হিন্দের সাথে যুক্ত ছিল। সম্প্রতি গেরিলারা প্রতিনিয়ত উপত্যকার সেনাবাহিনীকে টার্গেট করছে। গতকালই দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় গেরিলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে তিন গেরিলার মৃত্যু হয়।

আইজিপি কাশ্মীর বলেন, নিহত সন্ত্রাসীদের মধ্যে একজন হলেন লস্কর-ই-তাইয়্যেবার পাকিস্তানী কমান্ডার এজাজ ওরফে আবু হুরায়রা। এরসাথে স্থানীয় দুই সন্ত্রাসীও মারা গেছে। নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে দু’টি একে-৪৭ রাইফেল এবং একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। ওই অভিযানটি প্রায় আট ঘন্টা ধরে চলে বলেও কাশ্মীর পুলিশের আইজি মন্তব্য করেন।

সূত্রঃ পার্সটুডে