জনগণের অধিকার ও শাসন প্রতিষ্ঠা করব: মির্জা ফখরুল

দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এখন আমাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে– গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করা।

বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, এই দেশ একাত্তর সালে যে চেতনা নিয়ে সংগ্রাম করেছিল, লড়াই করেছিল, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করা, মানুষের অধিকারগুলোকে ফিরিয়ে দেয়া; সেই জায়গায় ফিরে যেতে হবে এবং গণতন্ত্রকে আবার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে মঙ্গলবার তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হরণ করেছে, জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। যে ভয়াবহ একদলীয় শাসনব্যবস্থা ফ্যাসিজমের কায়েম করেছে, তার বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে এবং জনগণের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করব ইনশাআল্লাহ।

এর আগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, আব্দুল করীম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, শিরিন সুলতানা, বিলকিস ইসলাম, শাম্মী আখতার, প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, কৃষক দলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মাহতাব, ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা শাহ মো. নেসারুল হক প্রমুখ।

পরে মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতারা জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন নবী সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, উত্তরের মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, আবদুল আলীম নকি, যুবদলের মোরতাজুল করীম বাদরু, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মামুন হাসান, এস এম জাহাঙ্গীর, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ইয়াসীন আলী, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান, কৃষক দলের সৈয়দ মেহেদি আহমেদ রুমি, হাসান জাফির তুহিন, মেহেদী হাসান পলাশ, এম জাহাঙ্গীর আলম, ড্যাবের অধ্যাপক আব্দুস সালাম, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল, সাইফ মাহমুদ জুয়েল, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, কাজী মুনির, জাসাসের লিয়াকত আলী, মীর সানাউল হক, আরিফুর রহমান মোল্লা, উলামা দলের শাহ নেছারুল হক, নজরুল ইসলাম তালুকদার, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান প্রমুখ।