কোরবানির গোশত ও চামড়া বিলি বণ্টনের নিয়ম

পবিত্র ঈদুল আজহার আর অল্প কয়েকদিন বাকি। এ দিন মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি দিবেন মুসলমানরা।

তবে কোরবানি দেবার কিছু নিয়ম আছে। চাইলেই যে কোনো পশু বা যে কোনো বয়সের পশু কোরবানি দেয়া যায় না। আবার কোরবানি করা পশুর গোশত বা চামড়া বণ্টনেরও আছে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম।

কোরবানির গোশত নিজে খেতে হয় এবং গরিব-মিসকিনগণকে খাওয়াতে হয়। উত্তম পন্থা হচ্ছে গোশতকে তিনভাগে ভাগ করে একভাগ গরিব-মিসকিনকে দান করা। একভাগ আত্মীয়-স্বজনকে দেয়া এবং এক অংশ নিজ পরিবারের জন্য রাখা। কোরবানির পশুর চামড়া নিজে ব্যবহার করতে পারবেন এবং অন্যকে হাদিয়াও দিতে পারবেন। আবার মাদ্রাসার লিল্লাহ ফান্ডেও দান করা যাবে।

কিন্তু কোরবানির চামড়া বিক্রি করে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক বা মসজিদের ইমামের ভাতা দেয়া যাবে না। বিক্রি করলে চামড়ার টাকা একমাত্র গরিব-মিসকিনকেই দান করতে হবে। সবচেয়ে উত্তম হচ্ছে মাদ্রাসার গরিব ফান্ডে দান করা।

কোরবানি যেহেতু একটি উত্তম ইবাদত। এ ইবাদতটিও একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হওয়া চাই। কারণ আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমার নিকট কোরবানির পশুর গোশত ও রক্ত কিছুই কবুল হয় না, তবে আমার নিকট পৌঁছে একমাত্র তাকওয়া। (সূরা হজ : ৩৭)।