কুকর্মের নথি জাতিসংঘে তুলে ভারতকে সতর্ক করল পাকিস্তান

ভা” রত সন্ত্রাসবাদের বি’রুদ্ধে অ’ভিযানের নামে যেই অ’পতৎপরতা চালিয়ে আসছে তার নথি বা দলিলাদি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্থোনিও গুতেরেসের কাছে পেশ করেছে পা’কিস্তান। সীমান্ত এলাকায় নয়াদিল্লি অ’বৈধ কার্যক্রম চালাচ্ছে উল্লেখ করে ক্ষোভ জানায় ইস’লামাবাদ।

জাতিসংঘে নিযু’ক্ত পাক দূত মুনির আকরাম মহাসবিক গুতেরেসকে ভা” রতীয় বাহিনীর অ’পকর্মের দলিল তুলেন দেন। গুতেরেসে পাক দূতকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, তাদের দেওয়া সব অ’ভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। স্থানীয় সময় (২৫ নভেম্বর) মঙ্গলবার বিকেলে ভা” রতকে সতর্ক করে পা’কিস্তানের দূত মুনির জানান, নিজ দেশের আত্ম’রক্ষার্থে যে কোনও আগ্রাসনের কড়া জবাব দেওয়া হবে।

ভারতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর প্রতিও আহ্বান জানান তিনি। এর আগে, এক ব্রিফিং-এ পাকিস্তান মিশনের রাষ্ট্রদূত আকরাম ব্যাখা করেন, নয়াদিল্লি কীভাবে আঞ্চলিক অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলছে।

বলেন, ‘১৯৮৮ সালে পারমাণিক অস্ত্রের পরীক্ষার পর থেকেই পাক-ভারতের মধ্যে বিভেদ আরও জোরালো হয়েছে। বর্তমানে দুদেশের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছে। কারণ, ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিজেদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বিস্তার করে আসছে নয়াদিল্লি। এ বিষয়ে আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে।

নয়াদিল্লি কীভাবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে তা বৈঠকে গুতেরেসের কাছে তুলে ধরেন পাক রাষ্ট্রদূত। এ বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ডন-এ বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ সন্ত্রাসীবাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৩ হাজার বেসামরিক নাগরিক এবং সৈন্য হারিয়েছে, যা দেশে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অবস্থায় প্রভাব পড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণরেখা এবং জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতিও ব্যাখা করেন আকরাম। এ ছাড়া চলতি বছরে জম্মু-কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় বাহিনী ২ হাজার ৭০০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। সংঘাতে ২৫ বেসামরিক নাগরিক ও ২০০ জনেরও বেশি আহত হন।

তবে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুধু পাকস্তানকে বলি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে বিস্তর বিষয়াদি জাতিসংঘ মহাসবিচের কাছে পেশ করেছেন পাক রাষ্ট্রদূত।

সম্প্রতি পাকিস্তানকে অস্থিতিশীল এবং দেশটির সঙ্গে চীনের অর্থনেতিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য ভারত সন্ত্রাসী হামলায় মদদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে ইসলামাবাদ। নয়াদিল্লি যে পাকিস্তানে হামলায় সহায়তা করছে তার বিস্তর প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলে তখনই জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি দাবি করেন।