কাশ্মীরে স্বাধীনতাকামীদের হামলায় একদিনে ৪ ভারতীয় সেনাসহ নিহত ৬ !

কাশ্মীরে স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের গেরিলা হামলায় ভারতীয় বাহিনীর ৪ সেনা নিহত হয়েছে। এসময় বন্দুকযুদ্ধে ২ জন স্বাধীনতাকামী ইন্তেকাল করেছেন।

গত সোমবার (১৭ আগস্ট) বারামুল্লা জেলার ক্রিরি এলাকায় ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের তল্লাশি দলের উপরে আচমকা স্বাধীনতাকামী যোদ্ধারা এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করলে এ পর্যন্ত ৪ সেনা নিহত ও পাল্টা সংঘর্ষে ২জন স্বাধীনতাকামী ইন্তেকাল করেছেন।

নিহত ভারতীয়দের মধ্যে সেনাবাহিনীর ১, আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের ২ এবং পুলিশের এক বিশেষ কর্মকর্তা ‘এসপিও’ রয়েছে। কাশ্মীরে ভারতীয় পুলিশের আইজি বিজয় কুমার বলেন, ক্রিরি এলাকার চেকপোস্ট পাহারা দিচ্ছিল পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ দল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাশের ঘন বাগিচা থেকে বেরিয়ে এসে আচমকা তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে তিন জন। এরফলে দুই সিআরপিএফ জওয়ান ও কাশ্মীর পুলিশের এক স্পেশ্যাল অফিসার নিহত হন।

এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ‘বন্দি মুক্তি কমিটি’র সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ভানু সরকার বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি কাশ্মীরের বিষয় সম্পূর্ণটাই রাজনৈতিক বিষয়। এটা বন্দুক দিয়ে সমাধান হবে না।

একমাত্র উপায় হচ্ছে রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্ত কিছুর সমাধান করা। গত ৫ আগস্ট কাশ্মীরকে ভেঙে কাশ্মীর, জম্মু ও লাদাখে বিভক্ত করার পরে যদি সবকিছু মিটে যেত তাহলে কাশ্মীরে এতদিন ধরে লকডাউন কেন?’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন বলা হচ্ছে কাশ্মীরে সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেছে, সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে সাধারণ মানুষ দারুণ খুশি! তারা খুব উল্লসিত! তাহলে সেখানে ইন্টারনেট বন্ধ কেন? মাত্র কিছু কিছু জায়গায় টুজি সার্ভিস চালু আছে। লাখ লাখ মিলিটারি পাঠিয়ে সেখানে তাহলে কী হচ্ছে?’

কাশ্মীরের এসব ঘটনা বন্ধে যদি সরকার আন্তরিক হয় তাহলে রাজনৈতিক সংলাপের মধ্যদিয়ে সমাধান করতে হবে’ বলেও ‘বন্দি মুক্তি কমিটি’র সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ভানু সরকার মন্তব্য করেন।

সূত্র: পার্সটুডে