করোনাকে পাত্তা দিচ্ছে না ভারতের রাজনৈতিক দলগুলো

ভারত করোনা সংক্রমণের দিক দিয়ে চোখ রাঙাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকেও। তবে এতে যেন কিছুই যায় আসে না, রাজনৈতিক দল ও তাদের সমর্থকদের। সবাই ব্যস্ত বিধানসভা ভোট নিয়ে। নির্বাচন মমতার রাজ্যেও।

২১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে, অথচ এর আগেই রাজপথ গরম।

পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে মেট্রোরেল, লোকাল রেল পরিষেবা ছাড়া বাকি প্রায় সব গণপরিবহন রাস্তায় নেমেছে। খুলেছে শপিং মল, বাজার, খেলার মাঠ থেকে বিনোদন কেন্দ্র। নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্বাভাবিক হওয়ার ছন্দে, হিমালয়ের চূড়ার মতো ক্রমশ কোভিড সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা আরও খারাপ।

২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বিরুদ্ধে বিরোধীদের দমন-পীড়ন, মামলা-হত্যার মতো অভিযোগ ছিল বরাবরই।

এবার নতুন করে অভিযোগ, চলমান কোভিড পরিস্থিতি, মে মাসের আম্পান পরবর্তী মমতা প্রশাসনের ব্যর্থতা। এসব নিয়ে অভিযোগের মধ্যেই এবার রাজ্যে গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াইয়ের ডাক দিয়ে সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে মাঠে নেমে পড়লো কেন্দ্রের শাসক বিজেপি।

রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে দেওয়ার জন্য, রাজনৈতিক অধিকার ফিরে দেওয়ার জন্য আমরা লড়াই করছি। শুধু ক্ষমতার জন্য নয়। ক্ষমতা তো আমরা ভোগ করছি সারা দেশে। এখানেও ক্ষমতায় আসতে পারতাম চালাকি করে। কিন্তু আমরা চাইনি। মানুষের উন্নয়নের জন্য, সমাজ উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করছি।

ভারতে করোনায় বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) একদিনে প্রায় ৮৫ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। যা কিনা একদিনের সংক্রমণের নিরিখে বিশ্ব রেকর্ড। এছাড়া দেশটিতে মোট সংক্রমণ প্রায় ৪০ লাখ মানুষ।