কঠোর বিধিনিষেধেও উৎপাদনে থাকবে পোশাক কারখানা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় তা প্রতিরোধে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। তবে জরুরি সেবা ও উৎপাদনমুখী শিল্পকারখানা চালু থাকবে। শিল্পকারখানার মালিক-কর্মকর্তা এবং শ্রমিক-কর্মচারী সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপ বলা হয়েছে, ‘শিল্পকারখানাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।

পোশাকখাত উদ্যোক্তারা বলছেন, সরকারি দিকনির্দেশনাসহ কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দেশের রফতানি আয়ের ৮৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করা তৈরি পোশাকখাতের কারখানা উৎপাদন অব্যাহত রাখবে। প্রতিটি কারখানায় শ্রমিকদের সার্বক্ষণিক মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি কারখানায় প্রবেশের ক্ষেত্রে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হবে। কারখানাগুলোতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রবেশ পথের ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। এ মুহূর্তে কারখানা বন্ধ করা হলে শিপমেন্ট হতো না, অর্ডারের পণ্য রফতানি আটকে গেলে বেতন-বোনাস নিয়ে জটিলতা তৈরি হতো। তা ছাড়া ঈদের বোনাসের সঙ্গে আগামী মাসের অর্ধেক বেতনও সমন্বয় করে শ্রমিকের হাতে তুলে দেয়া সম্ভব হতো না।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘আমরা কারখানা চালু রাখার যৌক্তিক কারণগুলো সরকারকে অবগত করেছিলাম। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমাদের যৌক্তিক কথার বাস্তবায়ন হয়েছে। এখন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে শিল্পউৎপাদন হবে, শ্রমিকরাও নিরাপদে থাকবেন। প্রয়োজনে আমরা তাদের পরিবহনের মাধ্যমে কারখানায় আনবো। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা হবে।