কঠিন প্রতিবাদের মুখে আল আজহার দখল থেকে সরে আসতে বাধ্য হলো সিসি সরকার !

মিসরের কেন্দ্রীয় দারুল ইফতা আইন সংস্কার বিল- ২০২০ সংসদে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো দেশটির স্বৈরশাসক আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি সরকার।

এতে প্রতিষ্ঠানটির দারুল ইফতাকে আল আজহা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার সুপারিশ করা হয়। যার ফলে কেন্দ্রীয় মুফতী নির্বাচনসহ অন্যান্য বিষয়ে আল আজহারের কোনো কর্তৃত্ব থাকবে না।

বিলটি পাশ করার জন্য ‘দারুল ইফতা আইন সংস্কার বিল- ২০২০’ নামে সংসদে প্রস্তাব পাঠানো হয়। বিলের ওপর চূড়ান্ত ভোটাভুটির তারিখও ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে বিলটি সংসদে উঠার পর থেকেই আজহারের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সংবিধানের ৭ম ধারা অনুযায়ী আল আজহার ‘ধর্মীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদানের সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একমাত্র প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে স্বীকৃত। তাই দারুল ইফতাকে বিচ্ছিন্ন করা একটি ‘সমকক্ষ’ প্রতিষ্ঠানের জন্ম দেবে, যা সংবিধানবিরোধী।

আজহারসহ বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদের মুখে ওই বিল উত্থাপনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয় দেশটির স্বৈরশাসক সিসির সরকার। উল্লেখ্য, প্রস্তাবিত নতুন বিল অনুযায়ী আল আজহারের ফতোয়া বিভাগে মুফতী নিয়োগের অধিকার পেতেন দেশটির স্বৈরশাসক আবদুল ফাত্তাহ আল সিসি।

এতে সফল হলে মিসরে আবদুল ফাত্তাহ আল সিসির ক্ষমতা আরও দৃঢ় হতো।