ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির সম্পদের হিসাব করছে দুদক!

ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির সম্পদের হিসাব করছে দুদক। এ সকল সম্পদ আয়ের কোন প্রকার বৈধ উৎস না দেখাতে পারলে তাদের বিরু’দ্ধে দুদকের মাম’লা দায়ের হতে পারে।এরমাঝেই স্বামী স্ত্রীর নামে সম্মিলিত ভাবে ৩ কোটি টাকার সম্পদের হিসাব পেয়েছে দুদক।

দুর্নী’তি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা যায় যে মেজর সিনহা হ’ত্যাকা’ণ্ডেরও বহু আগে সেই ২০১৮ সাল থেকেই ওসি প্রদীপ কুমার দাসের সম্পদের হিসাব নিয়ে গো’পনে অনুস’ন্ধান চালাচ্ছিল দুদক।তাদের সম্পদের পরিমান জানতে চেয়ে নোটিশও দেওয়া হয়।ঐ নোটিশের পর ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকি আলাদা আলাদা ভাবে দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছিলেন।

কিন্তু ঐ বিবরনী মোতাবেক তাদের সম্পদের পরিমান ছিল মাত্র ৭০ লাখ টাকা। সেখানে তুলনামূলক ভাবে চুমকির সম্পদের পরিমানই বেশী পাওয়া যায়।সেখানে চুমকিকে একজন মাছের খামার ব্যাবসায়ী ও মালিক হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

দেখা যায় যে চুমকির নামে বোয়ালখালীতে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার মৎস খামার রয়েছে। পাথরঘাটায় চার শতক জমি রয়েছে চুমকীর নামে, যার মূল্য ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ওই জমিতে ৬ তলা একটি ভবন আছে যার বর্তমান মূল্য ১ কোটি ৩০ লাখ ৫ হাজার টাকা,এছাড়া পাঁচলাইশে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ কোটি ২৯ লাখ ৯২ হাজার ৬০০ টাকার জমি কেনা হয়।

২০১৭-১৮ সালে কক্সবাজারে ঝিলংজা মৌজায় কেনা হয় ১২ লাখ ৩২ হাজার টাকা মূল্যের ৭৪০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট।এই দম্পতির দেয়া সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসা সম্পদের ব্যবধান বেশ অনেকটা।

দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের মধ্যে রয়েছে, প্রদীপের নিজের ও স্ত্রীর নামে কক্সবাজার শহরে ৪ শতাংশ জমি, ৬ তলা ভবন, ফ্ল্যাট ও দুটি হোটেলের মালিকানা।এছাড়া দুদকের অনুস্ধানে এর বাইরে আরও ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে এই দম্পতির প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পেয়েছে দুদক।

উল্লেখ্য যে টেকনাফের অনেক বাড়িতে অভি’যান চালিয়ে ক্র’সফা’য়ারের ভ’য় দেখিয়ে অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান সামগ্রী লু’ট করার অভি’যোগ রয়েছে ওসি প্রদীপের নামে।ক্র’সফা’য়ার থেকে বাঁচতে অনেকে অনেক টাকা প্রদীপের হাতে তুলে দিলেও তাদের অনেককেই ক্র’সফা’য়ারের নামে খু’ন করেছেন ওসি প্রদীপ।