ওমান সাগরের ঘটনা পরমাণু সমঝোতার আলোচনায় প্রভাব ফেলবে না

ওমান সাগরে একটি ইসরাইলি জাহাজে সাম্প্রতিক হামলাকে কেন্দ্র করে ইরানের সঙ্গে পাশ্চাত্যের সম্পর্কে যে উত্তেজনা হয়েছে তাতে ভিয়েনায় পরমাণু সমঝোতা পুনরুজ্জীবনের আলোচনার কোনো ক্ষতি হবে না বলে ঘোষণা করেছে আমেরিকা।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি সোমবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, তেল আবিব একটি স্বাধীন সরকার এবং এ ঘটনার ব্যাপারে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার তার রয়েছে।

ওমান সাগরে গত বৃহস্পতিবার রাতে ইহুদিবাদী ইসরাইলের মালিকানাধীন একটি জাহাজে হামলার একদিন পর প্রথম ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত ওই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেন। এরপর রোববার বেনেতের কণ্ঠে সুর মেলান মার্কিন ও ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। তারা কোনো প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই জানিয়ে দেন, ওই হামলা যে ইরান চালিয়েছে সে ব্যাপারে তারা ‘নিশ্চিত’ হয়েছেন। কোনো কোনো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে একথাও চাউর হয় যে, ইসরাইলকে ইরানের বিরুদ্ধে ‘প্রতিশোধ নিতে’ তেলআবিবকে সবুজ সংকেত দিয়েছে ওয়াশিংটন ও লন্ডন।

এর জবাবে ইরানের স্বার্থবিরোধী যেকোনো হঠকারী পদক্ষেপের ‘তাৎক্ষণিক, গুরুতর ও শক্তিশালী জবাব’ দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।এটি বলেছে, ইরান নিজের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে এক মুহূর্ত দেরি করবে না বরং যেকোনো হঠকারিতার তাৎক্ষণিক, গুরুতর ও শক্তিশালী জবাব দেবে।

জেন সাকি তার বক্তব্যে আরও বলেন, ভিয়েনা আলোচনার মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু সমঝোতার বিধিনিষেধের আওতায় আনতে পারলে দেশটির পরমাণু কর্মসূচির ব্যাপারে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ দূর হবে। ইরান নিয়ন্ত্রণহীনভাবে তার পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে গেলে আমাদের উদ্বেগ বাড়তেই থাকবে।

সূত্রঃ পার্সটুডে