এমাজউদ্দীন আহমেদ সময়কে ধারণ করতেন : মোশাররফ

যে সময়ে জাতির যা প্রয়োজন সেই সময়কে ধারণ করে এমাজউদ্দীন আহমদ নীতি-নির্ধারণী জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য দিতেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সদ্যপ্রয়াত এমাজউদ্দীন আহমদের স্মরণে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অধ্যাপক এমাজউদ্দীনের কর্মময় জীবন তুলে ধরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘তার যে রাষ্ট্রচিন্তা ছিল, তা ছিল দেশ, সমাজ, জাতি, রাজনীতি, গণতন্ত্র এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। এর সমন্বয়ই তার চিন্তা-চেতনা। এগুলোকে সমন্বয় করে তিনি তার বইগুলো রচনা করেছেন, পত্র-পত্রিকায় অসংখ্য প্রবন্ধ লিখেছেন।’

তিনি বলেন, ‘যে সময়ে যা পরামর্শ দেয়া প্রয়োজন, সেই সময়কে ধারণ করে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ সেই সময় কী করা প্রয়োজন, জাতির জন্য কী করা প্রয়োজন, দেশের সরকারের কী করা প্রয়োজন, রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন, তিনি (সেই বিষয়ে) নীতি-নির্ধারণী জ্ঞানগর্ব বক্তব্য দিয়েছেন, কলাম লিখেছেন, বই রচনা করেছেন।’

এরশাদবিরোধী ও বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অধ্যাপক এমাজউদ্দীনের অংশ নেয়ার কথা স্মরণ করে তার নামে একটি ‘জাতীয় স্মৃতি পরিষদ’ গঠন এবং তার লেখা গ্রন্থগুলো জাতীয়তাবাদী দলের অনুসারীদের কাছে ছড়িয়ে দেয়ার প্রস্তাব করেন ড. মোশাররফ।

বিএনপির উদ্যোগে এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রয়াত এমাজউদ্দীন আহমদের কর্মময় জীবনের নানা দিক নিয়ে বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ, জমিরউদ্দিন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ মাহবুবউল্লাহ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, শত নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আবদুল হাই শিকদার।

গত ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের সাবেক উপাচার্য ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।