ইয়েমেনে আগ্রাসনের প্রধান কমান্ডার ফাহাদ বিন তুর্কিকে বরখাস্তের কারণ কী?

ইয়েমেনে চলমান আগ্রাসনের প্রধান কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাহাদ বিন তুর্কিসহ কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন সৌদি আরবের রাজা সালমান। বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে জেনারেলের ফাহাদের ছেলে আব্দুল আজিজ বিন ফাহাদও রয়েছেন।

আব্দুল আজিজ আল-জৌফ অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর ছিলেন। সৌদি রাজা দুর্নীতির অভিযোগে এসব ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেও নির্দেশ জারি করেছেন। সৌদি সরকার বলছে, এসব শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে আর্থিক দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফাহাদ বিন তুর্কি ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী জোটের সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর প্রধানের পদে ছিলেন। এই জোট অন্যায়ভাবে ইয়েমেনে হামলা চালিয়ে এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে।

এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হলেও প্রকৃত কারণ ভিন্ন হতে পারে বলে অনেকের সন্দেহ। ইয়েমেন যুদ্ধে ব্যর্থতা ফাহাদ বিন তুর্কির বরখাস্ত হওয়ার পেছনের বড় কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বও তার পতনের কারণ হতে পারে।

অভিযোগ রয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তার কর্তৃত্বের পথে কাউকে বাধা মনে করলেই তাকে সরিয়ে দেন। একই কারণে এ বছরের শুরুতেও রাজার ভাই ও সাবেক এক যুবরাজকে আটক করা হয়।

এর আগে ২০১৭ সালে রাজপরিবারের বেশ কয়েক জন সদস্যসহ বহু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বকে আটক করে রিয়াদের হোটেল রিজ-কার্লটনে রাখা হয়েছিল, পরে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে কয়েকজনকে মুক্তি দেওয়া হয় বলে খবর এসেছে।