ইসরায়েল-আমিরাতকে বানের জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তির নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। তেহরানের দাবি, তেল আবিবের সঙ্গে আবুধাবি এই চুক্তি করে কৌশলগত নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছে। যার অবশ্যম্ভাবী ফল হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে শত্রুপক্ষ শক্তিশালী হবে।

হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরান বলছে, মুসলমানদের এই প্রথম কেবলা বায়তুল মোকাদ্দাস একদিন মুক্ত হবেই। সেদিন ইসরায়েলের সঙ্গে তার সহযোগীরাও বানের পানির মত ভেসে যাবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত হওয়ার পর শুক্রবার (১৪ আগস্ট) তেহরান এ প্রতিক্রিয়া জানায়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতির মাধ্যমে বলছে, নির্যাতিত ফিলিস্তিনি জাতিসহ বিশ্বের কোনো স্বাধীনচেতা জাতি অবৈধ দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে তার অপরাধের ভাগীদারদের এই সম্পর্ক স্থাপন প্রক্রিয়াকে কখনো ক্ষমা করবে না। অবশ্যই এর শাস্তি ইহুদিদের পেতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও মুসলমানদের প্রথম কেবলা আল-আকসা মসজিদ মুক্ত করার লক্ষ্যে গত সাত দশক ধরে যে প্রতিরোধ সংগ্রাম চলে এসেছে তা আজ হোক কিংবা কাল ইসরায়েলসহ তার অপরাধের সব সহযোগীকে একসঙ্গে গ্রাস করবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, একটি অবৈধ ও মানবতাবিরোধী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে সংযুক্ত আরব আমিরাত চরম বিপজ্জনক কাজ করেছে। এই ঘটনার জের ধরে পারস্য উপসাগরে সম্ভাব্য যেকোনো পরিণতির জন্য আবুধাবিসহ এ অঞ্চলে তার সহযোগী সরকারগুলোকে দায়ী থাকতে হবে।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, একদিন ইতিহাস বলে দেবে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ফিলিস্তিনি জাতিসহ গোটা মুসলিম উম্মাহর পিঠে যে খঞ্জর বসিয়েছে। তার পরিণতিতে এ অঞ্চলের প্রতিরোধ অক্ষ আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েল ও তার তাবেদার আরব শাসকদের বিরুদ্ধে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জনগণের ঐক্য ও সংহতি শক্তিশালী হবে।