ইসরাইলি জাহাজে আবারও অস্ত্র বোঝাই করতে ইতালির বন্দরকর্মীদের অস্বীকৃতি

কিন্তু এবারও বেঁকে বসেন ইতালির বন্দর শ্রমিকরা।  ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর রাভেন্নায় নোঙ্গর করা ইসরাইলি জাহাজটি অস্ত্র নিয়ে ইহুদিবাদী দেশটির আসদোদ বন্দরে যাওয়ার কথা ছিল।

ইতালির ওই বন্দরের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা মারসেলো সানতারেলি বলেন, ফিলিস্তিনের অধিকৃত গাজা উপত্যকা ও পশ্চিম তীরে অব্যাহতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। ফিলিস্তিনিদের ওপর চলছে দখলদার বাহিনীর বর্বর ও পাশবিক আগ্রাসন।

শরণার্থীশিবির, মিডিয়া হাউস, সাধারণ বাড়িঘর কিছুই রেহাই পাচ্ছে না। ইসরাইলের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

এ প্রতিবাদে সামিল হয়েছি আমরাও। ইসরাইলের কাছে অস্ত্রের চালান সরবরাহে সহযোগিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

নির্যাতিত ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতী জানিয়ে ইসরাইলি জাহাজে আবারও অস্ত্র বোঝাই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ইতালির বন্দর শ্রমিকরা।

ইতালি থেকে অস্ত্র নিতে গত ১৫ মে প্রথমবার ব্যর্থ হওয়ার পর গত মঙ্গলবার ইহুদিবাদী দেশটি আবারও এখান থেকে জাহাজে করে সমরাস্ত্র নেয়ার চেষ্টা করে। খবর আরব নিউজের।

এর আগে গত ১৫ মে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ভর্তি কয়েকটি কন্টেইনার জাহাজে তুলে দেওয়ার ইতালির লিভোরনো শহরের বন্দর শ্রমিকদের বখশিস দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ সময় শ্রমিকরা জানাতে পারেন যে, এসব কন্টেইনারে অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে।

এসব ইসরাইলের বন্দরনগরী আশদোদে যাবে। এ দিয়ে নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বর হামলা চালানো হবে। বিষয়টি জানার পর পরই শ্রমিকরা সাফ জানিয়ে দেয়,  যত অর্থই দেওয়া হোক না কেন এই অস্ত্র তারা জাহাজে তুলবে না তারা।

এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিরপরাধ ফিলিস্তিনিকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত হবে জেনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এসব শ্রমিক। তাই নতুন করে ইসরাইলে আর অস্ত্র পাঠানোর বিরোধিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিরপরাধ ফিলিস্তিনিকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত হবে জেনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এসব শ্রমিক। তাই নতুন করে ইসরাইলে আর অস্ত্র পাঠানোর বিরোধিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।