ইসরাইলপন্থী সংস্থা কর্তৃক ‘মর্যাদাপূর্ণ’ পুরস্কারে ভূষিত বিন জায়েদ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ‘মর্যাদাপূর্ণ’ স্কলার-স্টেটসম্যান পুরস্কার পেয়েছেন। ইসরায়েলপন্থী থিংক ট্যাঙ্ক ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি (উইনেপ) কর্তৃক তথাকথিত আব্রাহাম অ্যাকর্ডস প্রদানে তার ভূমিকার জন্য এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং অন্য তিনটি আরব রাষ্ট্র – বাহরাইন, সুদান এবং মরক্কোর সাথে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তির প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি উৎসবের আয়োজন করা হবে। সেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডে ফ্যাক্টো শাসককে এই পুরস্কার দেয়া হবে। তবে অনুষ্ঠানটি করে হবে সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। পুরষ্কারপ্রাপ্ত প্রাপকরা বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এবং সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার।

উইনেপ এর নির্বাহী পরিচালক রবার্ট স্যাটলফ বলেছেন, ‘তার সাহসী এবং দূরদর্শী কাজের মাধ্যমে, মহামান্য শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ইসরাইল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে শান্তির পথ দেখিয়েছিলেন এবং ইহুদি রাষ্ট্রের সাথে সম্পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য তাদের নিজস্ব চুক্তি করার জন্য অন্য তিনটি আরব দেশের জন্য রাস্তা তৈরি করেছিলেন।’ ক্রাউন প্রিন্স ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এবং গির্জা ও উপাসনালয় খোলার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘ধর্মীয় সহনশীলতার নতুন মান’ প্রতিষ্ঠায় তার ‘অগ্রণী নেতৃত্ব’ এর জন্য ‘প্রশংসিত’ হয়েছিলেন।

এবারের পুরষ্কারের জন্য বিন জায়েদকে বেছে নেয়াটা বিস্ময়কর নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলপন্থী লবি গ্রুপটি ১৯৮৫ সালে আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি থেকে বেরিয়ে আসে। সমালোচকরা বলছেন যে, থিংক ট্যাঙ্কের বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতারণা করার অভিযোগ আনা হয়েছিল যা পরিবর্তিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিবেশে ইসরাইলের জন্য ওয়াশিংটনের নিঃশর্ত সমর্থন পাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে। সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।