আমিরাতের দুই প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ইরানভিত্তিক মাহান এয়ায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দু’টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় কোম্পানি দুটির ওপর এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয় বলে জানিয়েছে।

পার্থিয়া কার্গো এবং ডেল্টা পার্টস সাপ্লাই এফজেডসি নামে ওই দুটি আমিরাতি প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্ত ইরানের মাহান এয়ারকে নানা গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে বলে অভিযোগ ট্রাম্প প্রশাসনের।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মুচিন হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের এই বিমান সংস্থাকে যারা সহায়তা দেবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে যুক্তরাষ্ট্র।

সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলার দুর্নীতিবাজ সরকারকে সহায়তার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীল এজেন্ডা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ইরান মহান এয়ারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

২০১১ সালে ইরানের মাহান বিমানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। অভিযোগ ছিল- মাহান এয়ারলাইনস ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে অর্থনৈতিক ও অন্যান্যভাবে সহায়তা করছে। পরবর্তী ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোকেও একই পথ অনুসরণ করতে চাপ দিতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র।

এই সংস্থাটির বিমানে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সরঞ্জাম ও সেনাদের সিরিয়ায় পরিবহন করা হয়। তাদের ওপর সন্ত্রাসবাদের সংশ্লিষ্ট মাঝারি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা চাচ্ছে- বিশ্বের অন্যান্য দেশেও একই পথ অবলম্বন করুক।

ইরানের প্রথম ব্যক্তি মালিকানার এয়ারলাইন মাহান ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশটির সবচেয়ে বড় বিমান বহরও তাদের। ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স ও গ্রিসসহ বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশে এ বিমানের যাতায়াত রয়েছে।