আইএসের হামলায় নিহত অন্তত ১১ যোদ্ধা

উগ্র জঙ্গিগোষ্ঠী দায়েশ (আইএস) সন্ত্রাসীদের হামলায় ইরাকের জনপ্রিয় আধা-সামরিক বাহিনী হাশদ আশ-শাবিরের অন্তত ১১ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ১০ জন।
শনিবার এই খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বাহিনী হাশেদ আল-শাবি।

ইরাকের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, শনিবার দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় সালাউদ্দিন প্রদেশের তিকরিতের পূর্বদিকে এক অতর্কিত হামলায় এসব যোদ্ধা নিহত হন। এই হামলায় আইএস জিহাদিরা হালকা অস্ত্র ব্যবহার করেছে। তবে এই হামলার দায় এখনো স্বীকার করেনি আইএস।

এ বিষয়ে হাশেদের ইউনিট কর্মকর্তা আবু আলী আল-মালিকি বলেন, আইএস আমাদের হাশেদ ব্রিগেড-২২ এর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ১০ জন। নিহতদের মধ্যে ব্রিগেড কমান্ডারও রয়েছেন। এরপর সেখানে আরো সেনা পাঠানো হয়।

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে দায়েশের জোড়া আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৩২ জন নিরীহ পথচারী নিহত হওয়ার দুইদিন পর হাশদ আশ-শাবি যোদ্ধাদের হত্যা করলো এই জঙ্গিগোষ্ঠী।

অবশ্য ইরাক ২০১৭ সাল থেকে দাবি করে আসছে যে, তারা আইএসকে পরাজিত করেছে। তবে এখনো এই জিহাদি গ্রুপ দেশটির বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড় ও মরুভূমি এলাকায়।

আইএস’র বিরুদ্ধে লড়াই করতে ২০১৪ সাল থেকে স্থানীয় বাহিনীকে সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোয়ালিশন বাহিনী। তারা ইরাকের সৈন্যদের প্রশিক্ষণ, তত্ত্বাবধান ও নজরদারি এবং আকাশ পথে জঙ্গীবাদ বিরোধী অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করে আসছে।

অবশ্য গেল কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত কোয়ালিশন বাহিনীর অনেক সদস্যই এরই মধ্যে ইরাক ছেড়ে গিয়েছে। এক সময় ইরাকে ৫ হাজার ২০০ যুক্তরাষ্ট্রের স্বশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন। বর্তমানে রয়েছেন ২ হাজার ৫০০ জন।