অলিম্পিকে পা রেখেই ইতিহাস গড়লেন সিরিয়ার ছোট্ট মেয়ে হেন্দ জাজা

সিরিয়ার প্রথম টেবিল টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে টোকিও অলিম্পিকে সরাসরি অংশগ্রহণের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন ১২ বছর বয়সী হেন্দ জাজা।

অস্ট্রিয় প্রতিপক্ষ ৩৯ বছর বয়সী লিউ জিয়ার কাছে শনিবার ৪-০ ব্যবধানে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়েছেন জাজা। কিন্তু তাতেই যেন নতুন ইতিহাস গড়লেন তিনি। কেননা ১২ বছর বয়সী সিরিয়ার এ টেবিল টেনিস খেলোয়াড়ই চলমান টোকিও অলিম্পিকের সর্বকনিষ্ঠ অ্যাথলেট।

ইন্টারন্যাশনাল টেবিল টেনিস ফেডারেশনের নথিপত্রে জাজার জন্ম ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি। অর্থাৎ তার বর্তমান বয়স ১২ বছর ২০৫ দিন। টোকিওর আসরে তার পর সবচেয়ে কম বয়সী অ্যাথলেট ব্রিটেনের ১৩ বছর বয়সী স্কেটবোর্ডার স্কাই ব্রাউন।

ক্রীড়া পরিবারে জন্ম হওয়ায় খেলাধুলার আঙিনায় তার পা পড়তে তাই খুব বেশি দেরি হয়নি জাজার। মাত্র ৫ বছর বয়সেই টেবিল টেনিসে হাতেখড়ি হয় তার। একে তো নিজ দেশ সিরিয়ার যুদ্ধ বিধ্বস্ত পরিস্থিতি, সঙ্গে গত বছর থেকে শুরু হওয়া বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস- সব মিলিয়ে জাজার স্বপ্নযাত্রায় ছিল প্রতিকূলতা।

গৃহযুদ্ধের কারণে গত এক বছরে দেশের বাইরে খেলতে পেরেছেন মোটে ২-৩টি ম্যাচ। কিন্তু তাতে দমানো যায়নি তাকে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে জর্ডানের আম্মানে অনুষ্ঠেয় ওয়েস্টার্ন এশিয়া অলিম্পিক বাছাইপর্বের ফাইনালে লেবাননের মারিয়ানা সাহাকিয়ানকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে টোকিও অলিম্পিকের মঞ্চে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন জাজা। এর মাধ্যমে সিরিয়ার প্রথম টেবিল টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে অলিম্পিকে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন তিনি।

সূত্রঃ পার্সটুডে