অরুণাচল ভারতের নয়, চীনের অংশ: বেইজিং

চীনের বিরুদ্ধে পাঁচ ভারতীয় নাগরিককে অপহরণের অভিযোগ তুলেছে ভারত। তাদের দাবি, অরুণাচল প্রদেশের পাঁচ বাসিন্দাকে ধরে নিয়ে গেছে চীনা সেনাবাহিনী।

ভারতীয়দের এই অভিযোগ আমলে না নিয়ে উল্টো চীনা সরকার বললো, অরুণাচল প্রদেশের অস্তিত্বকে কখনও স্বীকৃতিই দেয়নি তারা। বরং ওই এলাকাটিকে তারা নিজেদের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত ‘দক্ষিণ তিব্বত’ বলেই মেনে এসেছে। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ।

চীনা বাহিনীর হাতে সম্প্রতি অরুণাচলের যুবকের অপহৃত হওয়ার খবরে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে ভারতের তরফে।

এটা নিয়ে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেইজিংয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান। ভারতের কাছ থেকে কোনও বার্তা পাওয়ার খবর জানেন না বলেছেন তিনি, ‘ওই এলাকায় (অরুণাচল) পাঁচ ভারতীয় নিখোঁজ হওয়া নিয়ে চীনা বাহিনীর কাছে কী বার্তা এসেছে, সে ব্যাপারে আমাদের কাছে কোনও তথ্য নেই।’

তবে ঝাও এ ব্যাপারে তথ্য দিতে অস্বীকার করলেও বিষয়টি নিয়ে যে চীনা সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, রোববারই তা নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

একই বক্তব্যে অরুণাচল নিয়ে চীনের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন ঝাও, ‘চীন কখনোই তথাকথিত অরুণাচল প্রদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। এলাকাটি চীনের অন্তর্গত দক্ষিণ তিব্বত।’

ভারতীয় সেনাবাহিনীর আশঙ্কা অরুণাচল প্রদেশের টোচ সিংকাম, প্রসাত রিংলিং, ডংটু এবিয়া, তনু বাকের ও গারু দিরি জঙ্গলে শিকার অভিযানে বেরিয়ে চীনা সেনার খপ্পরে পড়েন ওই যুবকরা ও তাদের অপহরণ করা হয়।

ভারতীয় সেনার মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল হর্ষবর্ধন পান্ডে বার্তা সংস্থা কে জানিয়েছেন, নিখোঁজ পাঁচ যুবকের খোঁজে পিএলএ’র সঙ্গে হটলাইনে যোগাযোগ করা হয়।

গভীর জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যাওয়া সীমান্তরেখা প্রায়ই না বুঝে অতিক্রম করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার আশঙ্কা, এভাবেই চীনা সেনার পাহারায় থাকা এলাকায় ঢুকে পড়েছিলেন ওই পাঁচ জন। তখনই তাদের আটক করা হয়।